খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাসবজির দোকান ও সরবরাহ
ভোরে আড়ত থেকে কিনে সারা দিন খুচরা বিক্রি। ১৪-০৯-২০২৬ ঢাকায় আলু পাইকারি ৳১৫–২০, খুচরা ৳২৫–৩০; পেঁয়াজ পাইকারি ৳২৪–৪২, খুচরা ৳৪৫–৫৫ কেজি।
- পুঁজি
- ৳১০ হাজার – ৳১.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১ – ১৫ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
২৬৭টি ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাভোরে আড়ত থেকে কিনে সারা দিন খুচরা বিক্রি। ১৪-০৯-২০২৬ ঢাকায় আলু পাইকারি ৳১৫–২০, খুচরা ৳২৫–৩০; পেঁয়াজ পাইকারি ৳২৪–৪২, খুচরা ৳৪৫–৫৫ কেজি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঅল্প পুঁজিতে ছোট কারখানায় মোমবাতি ও সাবান তৈরি। সাবান বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় — সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করা যাবে না; মোমবাতি তালিকার বাইরে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপযন্ত্রচালিত তাঁতে বেডশিট ও ঘরের কাপড় বুনে পাইকারি হাটে বিক্রি। একটি তাঁতে দিনে ৮–১৫টি কাপড়; বাজারে সাধারণ ডাবল বেডশিট সেট ৳৩৮৯–৪৮৯।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণগরম বালুতে ধান ভেজে মেশিনে চিড়া বানানো। গ্রামের মিল কেজিপ্রতি ৳৮ মজুরিতে কৃষকের ধান ভাঙে; বাজারে চিড়ার খুচরা দর ৳৭০–৮০ কেজি।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণভুসি-খুদ-কুঁড়া মিশিয়ে দানাদার গো-খাদ্য বানিয়ে খামারিকে বিক্রি। কোম্পানির ফিড ৳৫৫–৬০ কেজি, আর উপকরণের দাম ৳৩৮–৬২ — ফাঁকটা পাতলা। লাইসেন্স ছাড়া করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
কৃষি ও খামারখাঁচায় কোয়েল পালন। ৩৫–৪৫ দিনে ডিম শুরু, ডিমের খরচ ৳১.২০ আর পাইকারি দর ৳২.৮০–৩.৫০। তবে বাজার ছোট — বড় আয় আসে বাচ্চা বিক্রি থেকে।
কৃষি ও খামারগোয়ালঘরের পাশে গোবর আর কেঁচো দিয়ে সার তৈরি। সার ৳১০–১৩ কেজি, খরচ ৳৬–৭; কিন্তু আসল আয় কেঁচো বিক্রিতে — কেজি ৳২,০০০।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্লায়েন্টের বিজ্ঞাপনের টাকা আপনার আয় নয় — আয় শুধু রিটেইনার। দেশে বছরে প্রায় ৭,৪০০ কোটি টাকার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ভ্যাট ১৫%; আর বিকাশ যুক্ত হওয়ায় মধ্যস্থতার আয় শেষ হয়ে আসছে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপ্যান্ট সেলাই ৳৬০০, কারিগর পান ৳২২০, খরচ ৳৯০ — দোকানের থাকে ৳২৯০। একজন কারিগর দিনে ৫টা প্যান্ট বা ১০টা শার্ট করেন। বড় টাকা সাব-কন্ট্রাক্টে, আর সেখানকার নিয়ম এখন কড়া।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদোকানে মাল যায় বাকিতে, টাকা আসে ১৫–৩০ দিন পর — তাই মেশিন নয়, হাতের টাকাই সীমা। ব্র্যান্ডের চানাচুর কেজি ৳৩০০–৩৩৩, ছোট ব্র্যান্ডকে নামতে হয় ৳২০০–২৫০-এ।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাআয় আসে সরকারি সেবার আবেদন থেকে, টাইপ থেকে নয়। ভূমিসেবার নির্ধারিত সেবা ফি নামজারিতে ৳২০০–৩০০, পর্চায় ৳১০০–১৫০, দাখিলার প্রিন্টে ৳২০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচেয়ারের সংখ্যা, দিনের খদ্দের আর ভাড়া — এই তিনটাই সব ঠিক করে। ঢাকায় চুল কাটা ৳১২০, শেভ ৳৮০–১৩০, আর শেভে মালের খরচ একটা ব্লেড, ৳৬–২৩।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণএক কেজি চা পাতায় প্রায় ২৫০ কাপ; কাপ বিক্রি হয় ৳৫–৩০। ২০ হাজার টাকায় চুলা-সিলিন্ডার-কাপ আর সপ্তাহখানেকের মাল হয়, দোকানের জামানত বা ফ্রিজ হয় না।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘর, বেঞ্চ আর পড়ানোর মানুষ — পুঁজি প্রায় শূন্য। কিন্তু পরীক্ষার সময় সরকারি নির্দেশে বছরে দুই-তিন মাস বন্ধ রাখতে হয়।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাথান কাপড় ও বানানো পোশাকের দোকান। ঢাকায় সুতি কাপড় গজপ্রতি ৳৩০০–৭০০, আর বছরের বিক্রির বড় অংশ ওঠে রোজার শেষ দশ দিনে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচুল, ত্বক ও সাজের সেবা। ঢাকায় বাসায় গিয়ে করা ফেসিয়াল শুরু ৳৮২০, পার্টি মেকওভার ৳২,৩৫০–২,৯৫০। বাসায় শুরু করলে পুঁজি কম, দোকান নিলে অনেক বেশি।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপাউরুটি, বিস্কুট ও কেক বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। ময়দার বস্তা এক বছরে ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ৳১,০০০ — বাধ্যতামূলক।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকৃষকের বীজ, সার, কীটনাশক ও মাছ-মুরগির খাবারের দোকান। সারে কমিশন সরকার বেঁধে দিয়েছে — এখন কেজিতে ৳২, ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৳৩।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপফেলনা প্লাস্টিক কিনে আলাদা করে কারখানায় বিক্রি। কেজিতে লাভ ৳২–২০, আর ঢাকায় ভাঙারির কেনা দর প্রতি কেজি ৳২২।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাট দিয়ে ব্যাগ, টব ও শো-পিস তৈরি। ২ হাজার টাকার কাঁচি-দড়ি দিয়ে হাতে শুরু করা যায়, কিন্তু রপ্তানির অর্ডার পেতে কারখানা লাগে — ১০ মেশিনের কারখানায় গেছে প্রায় ৫ লাখ টাকা।
কৃষি ও খামারগরুর খামারের জন্য কাঁচা ঘাস চাষ। একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন, বছরে ৪–৬ বার কাটা যায়, আর এক বিঘায় উদ্বৃত্ত ঘাস বেচে বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ বাড়তি আয় হচ্ছে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমাছ সংরক্ষণের বরফ তৈরির কারখানা। এক ক্যান বরফ ১২০–৩০০ টাকা, কিন্তু ১২৫ কেজির এক ক্যান বানাতে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ লাগে — লোডশেডিংই এখানে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।