খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামোবাইল ও এক্সেসরিজ দোকান
ফোন, এক্সেসরিজ ও সারানোর দোকান। হ্যান্ডসেটে লাভ প্রায় নেই — দোকান চলে চার্জার-কাভার-গ্লাসের বিক্রি আর সার্ভিসিংয়ের মজুরিতে।
- পুঁজি
- ৳১ লাখ – ৳৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৩ জন
- প্রথম আয়
- ১০ – ৩০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
১৪৪টি ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাফোন, এক্সেসরিজ ও সারানোর দোকান। হ্যান্ডসেটে লাভ প্রায় নেই — দোকান চলে চার্জার-কাভার-গ্লাসের বিক্রি আর সার্ভিসিংয়ের মজুরিতে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসারড, সিমেন্ট ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকান। রড টনপ্রতি ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০, এক বছরে বেড়েছে ১০ শতাংশ; লাভের চেয়ে বড় প্রশ্ন ঠিকাদারের বাকি টাকা কবে ফিরবে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
কৃষি ও খামারখামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।
কৃষি ও খামারসস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবানিজের জানা কাজ শেখানোর কোর্স বানিয়ে বিক্রি। পুঁজি প্রায় শূন্য, কোর্সের দাম ৳১,২৫০–৮,৮০০; তবে নতুন কোর্সের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয় মাত্র ১৬–৭২ জন।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্যামেরা বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণ। ক্যামেরা ৳৭৯৯–৬,৪৩৮ আর এনভিআর ৳৪,৪০০–৪১,৯৯০ — মাল সস্তা বলে বসানোয় লাভ কম, আসল আয় বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমসলা পিষে প্যাকেট করে বিক্রি। বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক — শুধু ল্যাব পরীক্ষাতেই পণ্যপ্রতি ৳২,৯০০–৫,৩০০, আর লাইসেন্স পেতে ১৯–৯৪ কর্মদিবস।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবালতি, মগ, চেয়ার, ডিনার সেট ও পানির ট্যাংকের খুচরা দোকান। দাম কারখানাই গায়ে ছাপিয়ে দেয়, কিন্তু ডিলারের কমিশনের হার কেউ প্রকাশ করে না।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাদিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপলোহা কেটে জোড়া দিয়ে গ্রিল, রেলিং, স্টিলের দরজা ও গেট বানানো। সাধারণ এমএস গ্রিল প্রতি বর্গফুট ৳১৬০–২২০, আর এক বছরে এমএস রডের দাম বেড়েছে ১০–১৭ শতাংশ।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঅ্যালুমিনিয়াম ও কাচ মেপে কেটে দরজা-জানালা-পার্টিশন বানিয়ে লাগানো। সাধারণ কাজের দর প্রতি বর্গফুট ৳৪৭০–৭৫০, আর মাপ ভুল হলে কাটা মাল ফেরত যায় না।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা কলা কিনে নিয়ন্ত্রিত চেম্বারে পাকিয়ে বিক্রি। নিরাপদ খাদ্য আইনের ২৩ ধারায় ক্যালসিয়াম কার্বাইড নাম ধরে নিষিদ্ধ, আর সেই অপরাধ অজামিনযোগ্য; ইথিলিন-ইথোফেন নির্ধারিত মাত্রায় চলে।
কৃষি ও খামারহারভেস্টার বা রিপার কিনে কৃষকের জমিতে ভাড়ায় খাটানো। মে ২০২৬-এ কটিয়াদীতে সরকারি নির্ধারিত ভাড়া বিঘায় ৳২,৫০০; যন্ত্রের দাম ৩০–৪০ লাখ, আর ভর্তুকি ২০২৪-এর জুন থেকে বন্ধ।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচাল ভেজে মুড়ি বানিয়ে বিক্রি। এক কেজি চালে মুড়ি হয় ৯০০ গ্রাম, মোটা চাল ৳৫০–৫৫ কেজি — তাই মেশিনের মুড়িতে কেজিতে থাকে ৪–৬ টাকা, আর হাতে ভাজা খাঁটি মুড়ি পাইকারি ৳৯০ কেজি।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাযন্ত্রাংশে লাভ কম, আসল লাভ হাতের মজুরিতে। মাদারবোর্ডের কাজ যিনি পারেন, অন্য দোকানও তাঁর কাছেই সেট পাঠায়।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপাড়ার প্রতিদিনের জিনিস বিক্রির দোকান। কেজিতে লাভ কয়েক টাকা, তাই আয় নির্ভর করে পরিমাণে — আর দোকান বন্ধ হয় বাকির টাকা আটকে গিয়ে।
কৃষি ও খামারমৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে পুকুরে হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন ৪.৯৬ টন — ময়মনসিংহে ১২.৭২ টন আর রাঙ্গামাটিতে ২.০১ টন। জেলা বদলালেই আয় বদলে যায়।
কৃষি ও খামারএক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপ্রতিদিন পশু কিনে কেটে খুচরা মাংস বিক্রি। ঢাকায় গরু ৳৭৮০–৮৫০ ও খাসি ৳১২০০–১৩৫০ কেজি, আর এখন 'পরীক্ষিত' সিল ছাড়া বিক্রি করলে দোকান বন্ধ।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঅনলাইন বিক্রেতার মাল ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। দেশে দিনে ৩.৫–৪ লাখ পার্সেল যায়; বাজারদর ঢাকায় ৳৫৫–৭০, ঢাকার বাইরে ৳১৩৫–১৫০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ৩০০–৫০০ বর্গফুটের ভাতের হোটেল। প্রতিদিন নগদ টাকা আসে, কিন্তু কাঁচামালেই যায় বিক্রির ৩৫–৫০ শতাংশ আর চালু করতে ৬টি কাগজ লাগে।
কৃষি ও খামারগোবর আর কেঁচো দিয়ে জৈব সার তৈরি। ৪৫ দিনে প্রথম সার, নার্সারি ও সবজি চাষিরা ক্রেতা।