খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামাছের আড়ত
চাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳১৫ লাখ
- জনবল
- ৩ – ১২ জন
- প্রথম আয়
- ১৫ – ৬০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
২৬৭টি ব্যবসা
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাচাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঅনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজ। ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ থেকে শুরু, আর কাজ চালানোর মতো ক্যামেরা-লেন্স-ট্রাইপডেই লাগে প্রায় ৳১,০৫,০০০।
কৃষি ও খামারপলিব্যাগে চারা তুলে বিক্রি। খুচরা বিক্রিতে মাস চলে, কিন্তু সরকারি ও এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা সরবরাহই আসল আয় — সেখানে আমের চারা ধরা হয় ৳৬০।
কৃষি ও খামারঘরের ভেতর তাকে স্পন প্যাকেট বসিয়ে ২৫–৩০ দিনে ফলন। খরচ ৳৮০–৯০ কেজি, বিক্রি ৳২৫০–৩০০ — কিন্তু ঢাকার বাইরে ক্রেতা খুঁজে পাওয়াই আসল কাজ।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাফোন, এক্সেসরিজ ও সারানোর দোকান। হ্যান্ডসেটে লাভ প্রায় নেই — দোকান চলে চার্জার-কাভার-গ্লাসের বিক্রি আর সার্ভিসিংয়ের মজুরিতে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসারড, সিমেন্ট ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকান। রড টনপ্রতি ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০, এক বছরে বেড়েছে ১০ শতাংশ; লাভের চেয়ে বড় প্রশ্ন ঠিকাদারের বাকি টাকা কবে ফিরবে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্রেতা ও বিক্রেতাকে মিলিয়ে দিয়ে কমিশন নেওয়া। ব্রোকারির জন্য আলাদা সরকারি লাইসেন্স লাগে না, পুঁজি বলতে একটা ফোন; ঢাকায় ফ্ল্যাট বিক্রি হয় ১ কোটি থেকে ১১ কোটি টাকায়।
কৃষি ও খামারখামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।
কৃষি ও খামারসস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবানিজের জানা কাজ শেখানোর কোর্স বানিয়ে বিক্রি। পুঁজি প্রায় শূন্য, কোর্সের দাম ৳১,২৫০–৮,৮০০; তবে নতুন কোর্সের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয় মাত্র ১৬–৭২ জন।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারাত হিসেবে ঘর ভাড়ার ব্যবসা। এক তারকা হোটেলে নিবন্ধন ও লাইসেন্স মিলিয়ে শুরুতেই ৳৪২,০০০ লাগে আর অন্তত ১০টি কক্ষ থাকতে হয়; সরকারি মোটেলে ঘর ভাড়া ৳৯০০–৪,৫০০।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাটিকিট, ভিসা ও হজ-ওমরাহ প্যাকেজের ব্যবসা। মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনে লাগে ৳৬২,৫০০, তিন বছর পর নবায়ন ৳২৫,০০০, আর ২০২৬ সালের অধ্যাদেশে ১০ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি বাধ্যতামূলক।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাক্রিম, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ ও সাজসজ্জার পণ্য বিক্রির দোকান। বিএসটিআই-এর বাধ্যতামূলক তালিকায় অন্তত ১৮টি প্রসাধনী — সনদ ছাড়া বা কাগজবিহীন আমদানি করা মাল তুললে দায় দোকানদারের।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্যামেরা বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণ। ক্যামেরা ৳৭৯৯–৬,৪৩৮ আর এনভিআর ৳৪,৪০০–৪১,৯৯০ — মাল সস্তা বলে বসানোয় লাভ কম, আসল আয় বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে।
কৃষি ও খামারবাক্সে মৌমাছি পালন করে মধু তোলা। ফুল অনুযায়ী মধু ৳৬৫০–১,২০০ কেজি, কিন্তু নিজের নামে বোতলে বেচতে হলে বিএসটিআই সনদ লাগে — পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ থেকে ছানা কেটে মিষ্টি বানিয়ে বিক্রি। মিষ্টি ৳৩৮০–৬০০ কেজি, দই ৳২১০–৩০০ লিটার, কিন্তু দুধ ৳১২০–১৪০ লিটার — লাভ পুরোটাই দুধের দরের উপর।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমসলা পিষে প্যাকেট করে বিক্রি। বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক — শুধু ল্যাব পরীক্ষাতেই পণ্যপ্রতি ৳২,৯০০–৫,৩০০, আর লাইসেন্স পেতে ১৯–৯৪ কর্মদিবস।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকর্মজীবী বাবা-মায়ের শিশুকে দিনভর দেখে রাখার কেন্দ্র। ২০২১ সালের আইনে নিবন্ধন সনদ বাধ্যতামূলক — সনদ ছাড়া চালালে ২ বছর কারাদণ্ড বা ৳৫–১০ লাখ জরিমানা।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবালতি, মগ, চেয়ার, ডিনার সেট ও পানির ট্যাংকের খুচরা দোকান। দাম কারখানাই গায়ে ছাপিয়ে দেয়, কিন্তু ডিলারের কমিশনের হার কেউ প্রকাশ করে না।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাদিনের ট্রিপে বা মাসিক চুক্তিতে গাড়ি ভাড়া দেওয়া। ঢাকায় সেডান দিনে ৳৪,০০০ (১০ ঘণ্টা/১০০ কিমি), হায়েস ৳৫,৫০০ — তবে চালকের বেতন আর গাড়ির ক্ষয় বাদ দিলে ওটা লাভ নয়।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবিদেশি পুরনো কাপড় গাঁইট ধরে কিনে বেছে পিস হিসাবে বিক্রি। জ্যাকেটের গাঁইট ৳১৫,০০০, খুচরা পিস ৳২০–২,০০০; তবে গাঁইট বন্ধ অবস্থায় কিনতে হয়, ভেতরে কী আছে কেউ জানে না।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপলোহা কেটে জোড়া দিয়ে গ্রিল, রেলিং, স্টিলের দরজা ও গেট বানানো। সাধারণ এমএস গ্রিল প্রতি বর্গফুট ৳১৬০–২২০, আর এক বছরে এমএস রডের দাম বেড়েছে ১০–১৭ শতাংশ।