কৃষি ও খামারবাঁশ চাষ
ঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।
- পুঁজি
- ৳১৫ হাজার – ৳৩ লাখ
- জনবল
- ১ – ৪ জন
- প্রথম আয়
- ১,০৯৫ – ২,৯২০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
১৫১টি ব্যবসা
কৃষি ও খামারঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।
কৃষি ও খামারচৌবাচ্চা বা অ্যাকুরিয়ামে গাপ্পি, মলি, গোল্ডফিশ, এনজেল জাতীয় রঙিন মাছ বাচ্চা দিইয়ে বিক্রি করা। গোটা দেশের পাইকারি বাজার একটাই — ঢাকার কাটাবন, যেখানে জরিপে ৪০টি দোকান মিলেছিল।
কৃষি ও খামারসবজি নয়, সবজির বীজ বেচার কাজ। বিএডিসির ২০২৬-২৭ দরে লাউয়ের বীজ কেজি ৳১,০৫০, টমেটো ৳২,৬০০, হাইব্রিড টমেটো ৳২৬,০০০ — আর বেচতে হলে ৳২,০০০ ফি দিয়ে বীজ ডিলার নিবন্ধন লাগে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল ও ফ্রাই বিক্রির ছোট দোকান। রেস্তোরাঁর চেয়ে পুঁজি কম, কিন্তু লাইসেন্সের তালিকা হুবহু একই — ট্রেড, নিরাপদ খাদ্য, ফায়ার, পরিবেশ, ভ্যাট।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাহাতঘড়ি ও দেয়ালঘড়ি মেরামত। দেশে ঘড়ির বাজার ৩০০ কোটি টাকার বেশি, কিন্তু পাটুয়াটুলীতে ৩০ টাকাতেও ঘড়ি মেলে — তাই সস্তা ঘড়ি কেউ সারায় না।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপর্যটন এলাকায় ছোট রিসোর্ট বা কটেজ চালানো। ভরা মৌসুমে সাজেকে শতভাগ বুকিং, কিন্তু মৌসুম ছোট আর ২০২৫ সালে এক আগুনেই ৯৪টি রিসোর্ট-কটেজ পুড়ে গেছে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাচ্চি, তেহারি ও মোরগ পোলাও প্লেট ধরে বিক্রি। খরচের প্রায় পুরোটাই মাংস — এক ডেকচি শাহি মাটন কাচ্চির কাঁচামালেই ৳১৩,২৬৫–১৫,০৫৪ যায়।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপআসবাবের কারখানার ফেলে দেওয়া কাঠের টুকরা দিয়ে শিশুদের খেলনা বানানো। বিসিকের মেলায় কাঠের পণ্য ৳১০০ থেকে ৳৩,০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাব্যাট, বল, জার্সি ও র্যাকেটের খুচরা দোকান। বাচ্চাদের ব্যাট ৳১০৯–৫১১, ইংলিশ উইলো ৳২,২৫০–৩,১৯০, ফুটবল ৳৪৮৪–১,২০০। স্কুল, ক্লাব আর টুর্নামেন্টের মৌসুমেই বিক্রি।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাজুতা সেলাই, সোল লাগানো ও পলিশ। সিলেটে পলিশ ৳৩০, দিনে আয় ৳৪০০–৫০০; লঞ্চে কাজ করা একজনের কোনো দিন ৳৭০০, কোনো দিন ৳২০০-ও নয়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণভুট্টা, সয়াবিন মিল ও কুঁড়া মিশিয়ে মুরগির খাবার বানিয়ে ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রি। বস্তার দর ৳৩,০০০–৩,৬৬৯, আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বিএসটিআই সিএম দুটোই বাধ্যতামূলক।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবিয়ে, গায়েহলুদ ও ঈদে মেহেদির নকশা ও কনের সাজ। ঢাকায় উৎসবের মেহেদি ৳১,২২৫–১,৬২৫ আর ব্রাইডাল ৳৩,৯০০–৫,৫২৫ প্রতিজন।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা০–১২ বছরের বাচ্চাদের জামাকাপড়ের খুচরা দোকান। পাঞ্জাবি সেট ৳২৬০–৯৮৫, ফ্রক ৳১৫০–৬৫০। বাচ্চা বড় হয়ে যায় বলে মাল পড়ে থাকে না — বড়দের বুটিকের চেয়ে এটাই বড় সুবিধা।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচাবি বানানো, তালা সারানো ও আটকে যাওয়া দরজা খোলা। চাবি ৳২৫–২০০, বাড়িতে ডাক পড়লে ৳২৫০–৫০০; ভালো দিনে হাজার টাকা, খারাপ দিনে কিছুই না।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঝুট কাপড়ে গেঞ্জি, মোজা ও সোয়েটার বানানোর কারখানা। পাবনায় প্রায় এক হাজার কারখানা, বছরে ১৮–২০ কোটি পিস; তবে ভারতে স্থলপথ বন্ধ হওয়ায় ৬৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মহীন।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবামোটরযান চালনা শেখানোর প্রতিষ্ঠান। বিআরটিএ-র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০, আর সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল মাত্র ১৫২টি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঢেউতোলা কাগজে কার্টন ও বাক্স বানানোর কারখানা। ছোট পার্সেল কার্টন প্রতিটি ৳২৪–৪০, আর দেশে দিনে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ পার্সেলই সবচেয়ে বড় বাজার।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকেক, পেস্ট্রি ও কাপকেক বানিয়ে দোকানে ও অর্ডারে বিক্রি। তাকের কেকে ক্ষতির ঝুঁকি, আর অর্ডারের সাজানো কেকেই আসল লাভ।
কৃষি ও খামারট্যাংকে ঘন করে মাছ চাষ। অল্প জায়গায় বেশি উৎপাদন সম্ভব, কিন্তু ঠাকুরগাঁওয়ে চার লাখ টাকা ঢেলে একজন বিক্রি করতে পেরেছেন মাত্র ৬০ হাজার টাকার মাছ।
কৃষি ও খামারঘৃতকুমারীর পাতা কেটে কোম্পানির কাছে বিক্রি। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাতা বিক্রি ৳১.৫–২.৫ লাখ, কিন্তু ক্রেতা শুধু কয়েকটি ওষুধ ও জুস কোম্পানি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপুরোনো জুতা ও ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক গলিয়ে সস্তা স্যান্ডেল বানানো। দেশে ৩০০–৪০০ কারখানা, বছরে কোটি জোড়ার বেশি উৎপাদন, আর খুচরা দাম জোড়াপ্রতি ৳১০০–৫০০।