কৃষি ও খামারআদা ও হলুদ চাষ
দশ-এগারো মাসের ফসল, আর পুঁজির সবচেয়ে বড় অংশ যায় বীজ আদা কিনতে — বিঘায় ৩৭৫–৪০০ কেজি, যা আজকের দরে ৳৪৫,০০০–৭০,০০০।
- পুঁজি
- ৳২০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭৫ – ৩১৫ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
২১টি ব্যবসা
কৃষি ও খামারদশ-এগারো মাসের ফসল, আর পুঁজির সবচেয়ে বড় অংশ যায় বীজ আদা কিনতে — বিঘায় ৩৭৫–৪০০ কেজি, যা আজকের দরে ৳৪৫,০০০–৭০,০০০।
কৃষি ও খামারঅগ্রহায়ণে বুনে চৈত্রে কাটা এক মৌসুমের ফসল। ২০২৫ সালে সরকার কৃষকের কাছ থেকে গম কিনেছে কেজি ৳৩৬ দরে, আর এক বিঘার খরচ ছিল ৳৬,০০০–৭,০০০।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপআসবাবের কারখানার ফেলে দেওয়া কাঠের টুকরা দিয়ে শিশুদের খেলনা বানানো। বিসিকের মেলায় কাঠের পণ্য ৳১০০ থেকে ৳৩,০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
কৃষি ও খামারমাঠে ও চরে ঘাস খাইয়ে ভেড়া পালন। ২০২৬ সালের কোরবানির আগে জয়পুরহাটে এক খামারি ২৬টি ভেড়া বিক্রি করেছেন ৳২,৩০,০০০ টাকায় — গড়ে প্রতিটি প্রায় ৳৮,৮০০।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমাটির হাঁড়ি-পাতিল, টব ও টেরাকোটার শোপিস তৈরি। বিজয়পুরের পণ্য বিদেশে যায়, কিন্তু গ্যাস না থাকায় লাকড়িতে পোড়াতে হয় আর মাল নষ্ট হয়।
কৃষি ও খামারপুকুরের ঝিনুকে বীজ বসিয়ে ৭–১১ মাসে মুক্তা তৈরি। পাইকারিতে এ গ্রেডের মুক্তা ৳৫০০–৬০০, কিন্তু নিয়মিত ক্রেতা নেই — এটিই সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণধান ভেজে খই আর চিনি-গুড় জ্বাল দিয়ে বাতাসা-কদমা বানানো। চিনির পাইকারি ৳১০২–১০৩ কেজি, বাতাসা বিক্রি ৳১৯০–৩০০ কেজি। পুঁজি খুব কম, বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে না।
কৃষি ও খামারঘৃতকুমারীর পাতা কেটে কোম্পানির কাছে বিক্রি। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাতা বিক্রি ৳১.৫–২.৫ লাখ, কিন্তু ক্রেতা শুধু কয়েকটি ওষুধ ও জুস কোম্পানি।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।
কৃষি ও খামারনভেম্বর-ফেব্রুয়ারিতে ক্যাপসিকাম চাষ। ঢাকায় খুচরা সবুজ ৳২২০ ও রঙিন ৳৪০০ কেজি, কিন্তু সারা দেশের মোট উৎপাদন বছরে মাত্র ৪৭৫ টন — ক্রেতার সংখ্যা সীমিত।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণময়দার খামির কলে কেটে সেমাই ও নুডলস তৈরি। বছরের বেশির ভাগ বিক্রি রোজার ঈদে, আর একই আটা দিয়ে খোলা সেমাই ৳৮০ থেকে ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা ৳১,৬০০ পর্যন্ত যায়।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাসমিতি গড়ে সঞ্চয় ও ছোট ঋণ। এমআরএ-র সনদ বাধ্যতামূলক, আর ৪ নভেম্বর ২০২৪ থেকে নতুন সনদের আবেদনই বন্ধ। সার্ভিস চার্জের সর্বোচ্চ সীমা ক্রমহ্রাসমান ২৪ শতাংশ।
কৃষি ও খামারকম খরচ, কম রোগ, এক বছরেই ফল। বাগানে মণ ৳২,৫০০–৩,০০০, ঢাকায় খুচরা কেজি ৳১২০–২০০, আর মৌসুম জানুয়ারি থেকে এপ্রিল।
কৃষি ও খামারঅন্যের আমবাগান এক বা একাধিক মৌসুমের জন্য ইজারা নিয়ে ফল বিক্রি। সখীপুরের এক বাগানে গাছপ্রতি বছরে ইজারা প্রায় ৳৮৩৩; বাগান থেকে পাইকারি দর মণ ৳১,৩২০ থেকে ৳৭,৭০০।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমেশিনে কাপড়ের উপর সুতার নকশা বসিয়ে অন্যের জন্য কাজ করে দেওয়া। টুপির কারখানা, বুটিক ও শাড়ির কুঠিই খদ্দের। হাতে যে কারচুপিতে ১৫ দিন লাগে, মেশিন তা ঘণ্টায় করে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাট্রাকভর্তি ফল নামিয়ে ক্যারেট হিসাবে খুচরা দোকানে বিক্রি। বাদামতলীতে দিনে প্রায় ৳৪০ কোটির ফল বিক্রি হয়, আর ক্যারেট খুললে ২৫–৩৩ শতাংশ পর্যন্ত পচা বেরোয়।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণগরম বালুতে ধান ভেজে মেশিনে চিড়া বানানো। গ্রামের মিল কেজিপ্রতি ৳৮ মজুরিতে কৃষকের ধান ভাঙে; বাজারে চিড়ার খুচরা দর ৳৭০–৮০ কেজি।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণভুসি-খুদ-কুঁড়া মিশিয়ে দানাদার গো-খাদ্য বানিয়ে খামারিকে বিক্রি। কোম্পানির ফিড ৳৫৫–৬০ কেজি, আর উপকরণের দাম ৳৩৮–৬২ — ফাঁকটা পাতলা। লাইসেন্স ছাড়া করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামোকাম থেকে বস্তা ধরে চাল এনে খুচরা দোকানে বিক্রি। ঢাকায় পাইকারি মোটা চাল ৳৪৩–৪৫, খুচরা ৳৫০–৫৫ — কিন্তু পাইকারের হাতে থাকে কেজিতে ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা।
কৃষি ও খামারসস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।