হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবই প্রকাশনা ও প্রিন্টিং
পাণ্ডুলিপি থেকে বই ছাপিয়ে বাজারে ছাড়া। সাদা লেখার কাগজ দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০, আর ছাপাখানা রাখতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঘোষণা বাধ্যতামূলক।
- পুঁজি
- ৳২ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ২ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৬০ – ২৪০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
১১৫টি ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাণ্ডুলিপি থেকে বই ছাপিয়ে বাজারে ছাড়া। সাদা লেখার কাগজ দিস্তাপ্রতি ৳৩৪–৪০, আর ছাপাখানা রাখতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ঘোষণা বাধ্যতামূলক।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাঔষধ প্রশাসনের স্বীকৃত ফার্মেসি। ৩০০ বর্গফুট, শীতাতপ, ঔষধের ফ্রিজ আর একজন এ-গ্রেড ফার্মাসিস্ট বাধ্যতামূলক; ড্রাগ লাইসেন্সের মেয়াদ ২ বছর।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঅল্প পুঁজিতে ছোট কারখানায় মোমবাতি ও সাবান তৈরি। সাবান বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক তালিকায় — সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করা যাবে না; মোমবাতি তালিকার বাইরে।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্লায়েন্টের বিজ্ঞাপনের টাকা আপনার আয় নয় — আয় শুধু রিটেইনার। দেশে বছরে প্রায় ৭,৪০০ কোটি টাকার ডিজিটাল বিজ্ঞাপন, ভ্যাট ১৫%; আর বিকাশ যুক্ত হওয়ায় মধ্যস্থতার আয় শেষ হয়ে আসছে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদোকানে মাল যায় বাকিতে, টাকা আসে ১৫–৩০ দিন পর — তাই মেশিন নয়, হাতের টাকাই সীমা। ব্র্যান্ডের চানাচুর কেজি ৳৩০০–৩৩৩, ছোট ব্র্যান্ডকে নামতে হয় ৳২০০–২৫০-এ।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচেয়ারের সংখ্যা, দিনের খদ্দের আর ভাড়া — এই তিনটাই সব ঠিক করে। ঢাকায় চুল কাটা ৳১২০, শেভ ৳৮০–১৩০, আর শেভে মালের খরচ একটা ব্লেড, ৳৬–২৩।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘর, বেঞ্চ আর পড়ানোর মানুষ — পুঁজি প্রায় শূন্য। কিন্তু পরীক্ষার সময় সরকারি নির্দেশে বছরে দুই-তিন মাস বন্ধ রাখতে হয়।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাথান কাপড় ও বানানো পোশাকের দোকান। ঢাকায় সুতি কাপড় গজপ্রতি ৳৩০০–৭০০, আর বছরের বিক্রির বড় অংশ ওঠে রোজার শেষ দশ দিনে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচুল, ত্বক ও সাজের সেবা। ঢাকায় বাসায় গিয়ে করা ফেসিয়াল শুরু ৳৮২০, পার্টি মেকওভার ৳২,৩৫০–২,৯৫০। বাসায় শুরু করলে পুঁজি কম, দোকান নিলে অনেক বেশি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপফেলনা প্লাস্টিক কিনে আলাদা করে কারখানায় বিক্রি। কেজিতে লাভ ৳২–২০, আর ঢাকায় ভাঙারির কেনা দর প্রতি কেজি ৳২২।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবর্জ্য কাগজ কিনে হাতে ঠোঙা বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। খাকি ঠোঙা কেজি ৳১৩৫–১৪০, সাদা ৳৮০; ৬০ কেজি কাগজে সাড়ে ৭ হাজার খরচে ৭০ কেজি ঠোঙা, লাভ ২,৩০০ টাকা।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাখাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণফলের রস ও ফ্রুট ড্রিংকস বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে এক লিটারের দাম ৳৮০–৯০। বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করলে জরিমানা — সম্প্রতি ৳৩০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা পরোটা, সমুচা ও শিঙাড়া বানিয়ে জমিয়ে প্যাকেটে বিক্রি। খুচরায় পরোটা পিস ৳১২.৫–১৯, মিনি সমুচা ৳৮.৬–৯.৪। কারখানা থেকে দোকান পর্যন্ত ঠান্ডার শিকলই এই ব্যবসার আসল শর্ত।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশীতের তিন মাসে খেজুর বা আখের রস জ্বাল দিয়ে গুড় ও পাটালি বানিয়ে বিক্রি। যশোরে গুড় ৳৩৪০ কেজি, পাটালি ৳৫০০ পর্যন্ত। সবচেয়ে বড় লড়াই দামের নয়, ভেজালের।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকাপড় ধুয়ে ইস্ত্রি করে ফেরত দেওয়ার দোকান। মফস্বলে কাপড়প্রতি ৳১০, দিনে ১০০ কাপড়ে আয় ৳১,০০০ — তবে লোডশেডিং হলেই তা ৳৩০০–৪০০-এ নেমে আসে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাগজ কেটে, ভাঁজ করে, মলাট দিয়ে খাতা বানানো। অনলাইনে ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯ আর ১২০ পৃষ্ঠার ৳৭৫, অথচ এক বছরে কাগজের প্যাকেট ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঅনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে সরবরাহ। বায়নার টাকা আগে আসে, তবে ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টের ৫ শতাংশ নয়।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামৌসুমে আলু কিনে হিমাগারে রেখে পরে বিক্রি। ভাড়া সরকার-নির্ধারিত কেজি ৳৬, কিন্তু ২০২৬ সালে ৬০ কেজির বস্তায় খরচ ৳১,১৫০–১,৩০০ আর বিক্রি ৳৮০০–৮৭০।
কৃষি ও খামারবাঁশ ও ছনের বরজে পান চাষ। বিঘাপ্রতি খরচ প্রায় ৳১ লাখ, আর রাজশাহীতে ৬৪ পাতার এক বিড়া ৳১০০–১২০ থেকে নেমে ৳৪ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে।
কৃষি ও খামারখুঁটিতে ড্রাগন চাষ। বিঘাপ্রতি ঢালতে হয় ১–৪ লাখ টাকা, ফল আসে প্রায় এক বছর পর, আর দাম ৳৫০০ থেকে নেমে কারওয়ান বাজারে ৳৮০–১০০ কেজি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাপড়ে নকশা ছাপার কাজ। পুঁজি কম, কিন্তু প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের আলাদা স্ক্রিন লাগে — তাই অর্ডার ছোট হলে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেড়ে যায়।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঅর্ডার নিয়ে খাট-আলমারি-টেবিল বানানো। এমডিএফের খাট ৳১২,০০০ থেকে, পুরো সেগুনের কিং খাট ৳১,৮০,০০০ পর্যন্ত — কিন্তু কাঠ কিনতে হয় আগে, টাকা আসে ডেলিভারির পরে।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাবিদেশি ক্রেতার কাজ নিয়ে দল বেঁধে করা আর বৈধ পথে টাকা আনা। আয়ে আয়কর ও ভ্যাট দুটোই মওকুফ, বৈধ পথে আনলে ২.৫% নগদ প্রণোদনা — কিন্তু প্রথম বছরের আয় নগণ্য।