খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচালের মিল
ধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
- পুঁজি
- ৳৫ লাখ – ৳৫০ লাখ
- জনবল
- ৪ – ২০ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ১২০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
১১৫টি ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামোকাম থেকে বস্তা ধরে চাল এনে খুচরা দোকানে বিক্রি। ঢাকায় পাইকারি মোটা চাল ৳৪৩–৪৫, খুচরা ৳৫০–৫৫ — কিন্তু পাইকারের হাতে থাকে কেজিতে ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঅনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজ। ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ থেকে শুরু, আর কাজ চালানোর মতো ক্যামেরা-লেন্স-ট্রাইপডেই লাগে প্রায় ৳১,০৫,০০০।
কৃষি ও খামারপলিব্যাগে চারা তুলে বিক্রি। খুচরা বিক্রিতে মাস চলে, কিন্তু সরকারি ও এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা সরবরাহই আসল আয় — সেখানে আমের চারা ধরা হয় ৳৬০।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসারড, সিমেন্ট ও স্যানিটারি সামগ্রীর দোকান। রড টনপ্রতি ৳৯২,৫০০–৯৪,৫০০, এক বছরে বেড়েছে ১০ শতাংশ; লাভের চেয়ে বড় প্রশ্ন ঠিকাদারের বাকি টাকা কবে ফিরবে।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্রেতা ও বিক্রেতাকে মিলিয়ে দিয়ে কমিশন নেওয়া। ব্রোকারির জন্য আলাদা সরকারি লাইসেন্স লাগে না, পুঁজি বলতে একটা ফোন; ঢাকায় ফ্ল্যাট বিক্রি হয় ১ কোটি থেকে ১১ কোটি টাকায়।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবানিজের জানা কাজ শেখানোর কোর্স বানিয়ে বিক্রি। পুঁজি প্রায় শূন্য, কোর্সের দাম ৳১,২৫০–৮,৮০০; তবে নতুন কোর্সের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয় মাত্র ১৬–৭২ জন।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারাত হিসেবে ঘর ভাড়ার ব্যবসা। এক তারকা হোটেলে নিবন্ধন ও লাইসেন্স মিলিয়ে শুরুতেই ৳৪২,০০০ লাগে আর অন্তত ১০টি কক্ষ থাকতে হয়; সরকারি মোটেলে ঘর ভাড়া ৳৯০০–৪,৫০০।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাক্যামেরা বসানো ও রক্ষণাবেক্ষণ। ক্যামেরা ৳৭৯৯–৬,৪৩৮ আর এনভিআর ৳৪,৪০০–৪১,৯৯০ — মাল সস্তা বলে বসানোয় লাভ কম, আসল আয় বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাবাসা ও অফিসে গিয়ে এসি-ফ্রিজ সার্ভিসিং ও মেরামত। মার্চ-জুনে কাজের চাপ, শীতে প্রায় বন্ধ — তাই বাৎসরিক রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ছাড়া বারো মাস চালানো কঠিন।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমসলা পিষে প্যাকেট করে বিক্রি। বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক — শুধু ল্যাব পরীক্ষাতেই পণ্যপ্রতি ৳২,৯০০–৫,৩০০, আর লাইসেন্স পেতে ১৯–৯৪ কর্মদিবস।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঅ্যালুমিনিয়াম ও কাচ মেপে কেটে দরজা-জানালা-পার্টিশন বানিয়ে লাগানো। সাধারণ কাজের দর প্রতি বর্গফুট ৳৪৭০–৭৫০, আর মাপ ভুল হলে কাটা মাল ফেরত যায় না।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঢাকার বাইরে এক পার্সেল পাঠাতে কুরিয়ারে ৳১৩৫–১৫০ ও ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ১%। ফেরত এলে যাওয়া-আসার দুই ভাড়াই আপনার — ফেরতের হারই এই ব্যবসার আসল সংখ্যা।
কৃষি ও খামারমৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে পুকুরে হেক্টরপ্রতি গড় উৎপাদন ৪.৯৬ টন — ময়মনসিংহে ১২.৭২ টন আর রাঙ্গামাটিতে ২.০১ টন। জেলা বদলালেই আয় বদলে যায়।
কৃষি ও খামারএক পিস ডিমে শুধু খাবারেই লাগে ৳৭.৯০–৯.৩০, মোট উৎপাদন খরচ ৳৮.৫০–১০। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি খামারিরা পেয়েছেন ৳৬–৬.৮০, অর্থাৎ প্রতি ডিমে লোকসান।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঅনলাইন বিক্রেতার মাল ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। দেশে দিনে ৩.৫–৪ লাখ পার্সেল যায়; বাজারদর ঢাকায় ৳৫৫–৭০, ঢাকার বাইরে ৳১৩৫–১৫০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ৩০০–৫০০ বর্গফুটের ভাতের হোটেল। প্রতিদিন নগদ টাকা আসে, কিন্তু কাঁচামালেই যায় বিক্রির ৩৫–৫০ শতাংশ আর চালু করতে ৬টি কাগজ লাগে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঅফিসে প্রতিদিন রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবসা। ঢাকায় সকালের নাশতা ৳৪০ থেকে আর দুপুরের প্যাকেজ ৳৮৫–১৫০ টাকায় বিক্রি হয়, কিন্তু অফিস বিল দেয় মাস শেষে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমৌসুমে কেজি ১৫–৪০ টাকার কাঁচা আম কেটে শুকিয়ে সারা বছর বিক্রি। ৮–১০ কেজি কাঁচা আম থেকে ১ কেজি শুকনো আম হয়।