হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপলোড হচ্ছে…Loading…
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
২০৩টি ব্যবসা
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের তাঁতে হাতে বোনা শাড়ি। শাড়ি বিক্রি হয় ৳১,৫০০ থেকে ৳৩ লাখে, অথচ একজন তাঁতির মাসিক আয় প্রায় ৳৪,৫৯০ — লাভ থাকে মহাজনের হাতে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাখাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপছোট কারখানায় স্যান্ডেল ও জুতা বানিয়ে পাইকারের কাছে বিক্রি। স্যান্ডেল ৳২৫০–৭০০, চামড়ার জুতা ৳১,২০০। ভৈরবে ৩,৫০০–৫,০০০ কারখানায় প্রায় ২৫ হাজার মানুষ কাজ করেন।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণফলের রস ও ফ্রুট ড্রিংকস বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে এক লিটারের দাম ৳৮০–৯০। বিএসটিআইয়ের সিএম লাইসেন্স ছাড়া বিক্রি করলে জরিমানা — সম্প্রতি ৳৩০,০০০ থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা পরোটা, সমুচা ও শিঙাড়া বানিয়ে জমিয়ে প্যাকেটে বিক্রি। খুচরায় পরোটা পিস ৳১২.৫–১৯, মিনি সমুচা ৳৮.৬–৯.৪। কারখানা থেকে দোকান পর্যন্ত ঠান্ডার শিকলই এই ব্যবসার আসল শর্ত।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশীতের তিন মাসে খেজুর বা আখের রস জ্বাল দিয়ে গুড় ও পাটালি বানিয়ে বিক্রি। যশোরে গুড় ৳৩৪০ কেজি, পাটালি ৳৫০০ পর্যন্ত। সবচেয়ে বড় লড়াই দামের নয়, ভেজালের।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাকাপড় ধুয়ে ইস্ত্রি করে ফেরত দেওয়ার দোকান। মফস্বলে কাপড়প্রতি ৳১০, দিনে ১০০ কাপড়ে আয় ৳১,০০০ — তবে লোডশেডিং হলেই তা ৳৩০০–৪০০-এ নেমে আসে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাগজ কেটে, ভাঁজ করে, মলাট দিয়ে খাতা বানানো। অনলাইনে ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯ আর ১২০ পৃষ্ঠার ৳৭৫, অথচ এক বছরে কাগজের প্যাকেট ১০০–১৫০ টাকা বেড়েছে।
কৃষি ও খামারহ্যাচারির রেণু পুকুরে লালন করে পোনা বিক্রি। সরকারি খামারের ২০২৬ সালের লক্ষ্যমাত্রা ধরলে রেণু কেজি প্রায় ৳১,৯০০ আর পোনা কেজি প্রায় ৳২৫০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঅনুষ্ঠানে তিনশো-পাঁচশো মানুষের রান্না করে সরবরাহ। বায়নার টাকা আগে আসে, তবে ক্যাটারিং সেবায় মূসক ১৫ শতাংশ — রেস্টুরেন্টের ৫ শতাংশ নয়।
কৃষি ও খামারএক দিনের বাচ্চা তুলে এক মাসে জ্যান্ত মুরগি বিক্রি। খামারে দাম ২০২৬ সালে কেজি ৳১১০ থেকে ৳১৯৮ পর্যন্ত উঠানামা করেছে, আর উৎপাদন খরচ প্রায় ৳১৪০।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামৌসুমে আলু কিনে হিমাগারে রেখে পরে বিক্রি। ভাড়া সরকার-নির্ধারিত কেজি ৳৬, কিন্তু ২০২৬ সালে ৬০ কেজির বস্তায় খরচ ৳১,১৫০–১,৩০০ আর বিক্রি ৳৮০০–৮৭০।
কৃষি ও খামারহাওরে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে হাঁস পালন। ১০০ হাঁসে দিনে প্রায় ৬০টি ডিম, খাবার হাঁসপ্রতি দিনে ৳২, আর ১০০ ডিম বিক্রি হয় ৳১,২০০–১,৩০০ টাকায়।
কৃষি ও খামারখুঁটিতে ড্রাগন চাষ। বিঘাপ্রতি ঢালতে হয় ১–৪ লাখ টাকা, ফল আসে প্রায় এক বছর পর, আর দাম ৳৫০০ থেকে নেমে কারওয়ান বাজারে ৳৮০–১০০ কেজি।
কৃষি ও খামারলোনা পানির ঘেরে বাগদা-গলদা চাষ। এ বছর হাজার রেণুর দাম ৳১,৩০০–১,৭০০ থেকে বেড়ে প্রায় ৳৩,০০০, হ্যাচারি ৭৮ থেকে নেমে ৩৭ — খরচ বেড়েছে, ঝুঁকিও।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাপড়ে নকশা ছাপার কাজ। পুঁজি কম, কিন্তু প্রতিটি নকশা ও প্রতিটি রঙের আলাদা স্ক্রিন লাগে — তাই অর্ডার ছোট হলে প্রতি পিসের খরচ অনেক বেড়ে যায়।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঅর্ডার নিয়ে খাট-আলমারি-টেবিল বানানো। এমডিএফের খাট ৳১২,০০০ থেকে, পুরো সেগুনের কিং খাট ৳১,৮০,০০০ পর্যন্ত — কিন্তু কাঠ কিনতে হয় আগে, টাকা আসে ডেলিভারির পরে।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাবিদেশি ক্রেতার কাজ নিয়ে দল বেঁধে করা আর বৈধ পথে টাকা আনা। আয়ে আয়কর ও ভ্যাট দুটোই মওকুফ, বৈধ পথে আনলে ২.৫% নগদ প্রণোদনা — কিন্তু প্রথম বছরের আয় নগণ্য।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণধান কিনে সেদ্ধ-শুকিয়ে চাল করে বিক্রি। ২৪ হাজার কেজি ধানে চাল হয় ১৫ হাজার কেজি, আর তুষ-কুঁড়া-খুদ বেচে চালের কেজিতে আরও ৳৬.৪৫ ফেরত আসে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামোকাম থেকে বস্তা ধরে চাল এনে খুচরা দোকানে বিক্রি। ঢাকায় পাইকারি মোটা চাল ৳৪৩–৪৫, খুচরা ৳৫০–৫৫ — কিন্তু পাইকারের হাতে থাকে কেজিতে ৫০ পয়সা থেকে ১ টাকা।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাচাষির মাছ নিলামে তুলে কমিশনে বিক্রি। কমিশন প্রায় ৩ শতাংশ, আর চাষিকে ধরে রাখতে বিনা সুদে দাদন দিতে হয় — লাভটা আসলে ভলিউমে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঅনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও তোলার কাজ। ছোট প্যাকেজ ৳১৫,০০০ থেকে শুরু, আর কাজ চালানোর মতো ক্যামেরা-লেন্স-ট্রাইপডেই লাগে প্রায় ৳১,০৫,০০০।
কৃষি ও খামারপলিব্যাগে চারা তুলে বিক্রি। খুচরা বিক্রিতে মাস চলে, কিন্তু সরকারি ও এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা সরবরাহই আসল আয় — সেখানে আমের চারা ধরা হয় ৳৬০।
কৃষি ও খামারঘরের ভেতর তাকে স্পন প্যাকেট বসিয়ে ২৫–৩০ দিনে ফলন। খরচ ৳৮০–৯০ কেজি, বিক্রি ৳২৫০–৩০০ — কিন্তু ঢাকার বাইরে ক্রেতা খুঁজে পাওয়াই আসল কাজ।