কৃষি ও খামারগরুর দুগ্ধ খামার
গাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।
- পুঁজি
- ৳২.৫ লাখ – ৳১২ লাখ
- জনবল
- ১ – ৬ জন
- প্রথম আয়
- ৭ – ৬০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
৮০টি ব্যবসা
কৃষি ও খামারগাভি পালন করে দৈনিক দুধ বিক্রি। মিল্কভিটা লিটারে ৳৪৫–৪৭ দেয়, খোলা বাজারে ৳৫৫; খামারির নিজের হিসাবে লিটারে খরচ প্রায় ৳৩২.৫। বর্ষার তিন মাসে দুধ অর্ধেকে নামে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘরে কয়েকটা মেশিন বসিয়ে সেলাই ও হস্তশিল্প শেখানো। টাকা কোর্সের শুরুতেই আসে, কিন্তু সরকার ছয় মাসের ট্রেড কোর্স করায় ৳৩০০–১,০০০ টাকায় — সেই দরের সঙ্গেই লড়তে হয়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাছাত্রের বাড়িতে বা নিজের ঘরে পড়িয়ে ছাত্রপ্রতি মাসিক আয়। পুঁজি প্রায় শূন্য। দেশে তিন-চতুর্থাংশের বেশি শিক্ষার্থী প্রাইভেট টিউটর বা কোচিংয়ে পড়ে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে ও আলট্রাসনোগ্রামের কেন্দ্র। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স লাগে, বার্ষিক ফি শ্রেণি ও এলাকাভেদে ৳১৫,০০০–৫০,০০০।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাভোরে আড়ত থেকে কিনে সারা দিন খুচরা বিক্রি। ১৪-০৯-২০২৬ ঢাকায় আলু পাইকারি ৳১৫–২০, খুচরা ৳২৫–৩০; পেঁয়াজ পাইকারি ৳২৪–৪২, খুচরা ৳৪৫–৫৫ কেজি।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণভুসি-খুদ-কুঁড়া মিশিয়ে দানাদার গো-খাদ্য বানিয়ে খামারিকে বিক্রি। কোম্পানির ফিড ৳৫৫–৬০ কেজি, আর উপকরণের দাম ৳৩৮–৬২ — ফাঁকটা পাতলা। লাইসেন্স ছাড়া করলে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা।
কৃষি ও খামারখাঁচায় কোয়েল পালন। ৩৫–৪৫ দিনে ডিম শুরু, ডিমের খরচ ৳১.২০ আর পাইকারি দর ৳২.৮০–৩.৫০। তবে বাজার ছোট — বড় আয় আসে বাচ্চা বিক্রি থেকে।
কৃষি ও খামারগোয়ালঘরের পাশে গোবর আর কেঁচো দিয়ে সার তৈরি। সার ৳১০–১৩ কেজি, খরচ ৳৬–৭; কিন্তু আসল আয় কেঁচো বিক্রিতে — কেজি ৳২,০০০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাআয় আসে সরকারি সেবার আবেদন থেকে, টাইপ থেকে নয়। ভূমিসেবার নির্ধারিত সেবা ফি নামজারিতে ৳২০০–৩০০, পর্চায় ৳১০০–১৫০, দাখিলার প্রিন্টে ৳২০।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঘর, বেঞ্চ আর পড়ানোর মানুষ — পুঁজি প্রায় শূন্য। কিন্তু পরীক্ষার সময় সরকারি নির্দেশে বছরে দুই-তিন মাস বন্ধ রাখতে হয়।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপাউরুটি, বিস্কুট ও কেক বানিয়ে দোকানে সরবরাহ। ময়দার বস্তা এক বছরে ৳২,৩০০ থেকে ৳৩,১০০, আর নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিবন্ধন ৳১,০০০ — বাধ্যতামূলক।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাকৃষকের বীজ, সার, কীটনাশক ও মাছ-মুরগির খাবারের দোকান। সারে কমিশন সরকার বেঁধে দিয়েছে — এখন কেজিতে ৳২, ১ জুলাই ২০২৭ থেকে ৳৩।
কৃষি ও খামারগরুর খামারের জন্য কাঁচা ঘাস চাষ। একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন, বছরে ৪–৬ বার কাটা যায়, আর এক বিঘায় উদ্বৃত্ত ঘাস বেচে বছরে ৳৩০,০০০–৩৫,০০০ বাড়তি আয় হচ্ছে।
কৃষি ও খামারফিড মিল প্রতি কেজি কিনে নেয়, তাই ক্রেতা আগেই ঠিক। এক বিঘায় খরচ ৳১২,০০০–১৪,০০০, ফলন ৩০–৩৬ মণ, আর কাঁচা মণ ৳৭৫০–৮০০ হলেও শুকিয়ে বেচলে ৳১,০৪০–১,০৬০।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাখাতা-কলম-কাগজ ও বই বিক্রির সঙ্গে ফটোকপির দোকান। ২০৪ পৃষ্ঠার খাতা ৳৬৮, ৩০০ পৃষ্ঠার খাতা ৳১৬৯, সাদা কাগজ দিস্তা ৳৩৪–৪০। পাঠ্যবই সরকার দেয়, তাই মৌসুমের আয় আসে খাতা ও ফটোকপি থেকে।
কৃষি ও খামারএক দিনের বাচ্চা তুলে এক মাসে জ্যান্ত মুরগি বিক্রি। খামারে দাম ২০২৬ সালে কেজি ৳১১০ থেকে ৳১৯৮ পর্যন্ত উঠানামা করেছে, আর উৎপাদন খরচ প্রায় ৳১৪০।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামৌসুমে আলু কিনে হিমাগারে রেখে পরে বিক্রি। ভাড়া সরকার-নির্ধারিত কেজি ৳৬, কিন্তু ২০২৬ সালে ৬০ কেজির বস্তায় খরচ ৳১,১৫০–১,৩০০ আর বিক্রি ৳৮০০–৮৭০।
কৃষি ও খামারপলিব্যাগে চারা তুলে বিক্রি। খুচরা বিক্রিতে মাস চলে, কিন্তু সরকারি ও এনজিওর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারা সরবরাহই আসল আয় — সেখানে আমের চারা ধরা হয় ৳৬০।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাফোন, এক্সেসরিজ ও সারানোর দোকান। হ্যান্ডসেটে লাভ প্রায় নেই — দোকান চলে চার্জার-কাভার-গ্লাসের বিক্রি আর সার্ভিসিংয়ের মজুরিতে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাঁচা দুধ ৳৪৫–৫৫ লিটারে কিনে দই ও ছানা বানিয়ে বিক্রি। এক লিটার দুধে কত দই দাঁড়ায় আর কতটুকু নষ্ট হয় — এই দুটোই লাভ ঠিক করে।
কৃষি ও খামারখামারির কাছ থেকে দুধ কিনে শীতলীকরণ কেন্দ্র ও দোকানে পৌঁছে দেওয়া। খামারি পান লিটারে ৳৩৫–৫০, কারখানা দেয় ৳৪৮–৫৮ — ফারাকটাই এই ব্যবসা।
কৃষি ও খামারসস্তায় গরু কিনে খাইয়ে কোরবানির হাটে বিক্রি। দিনে গরুপ্রতি খরচ প্রায় ৳২২৫, আর ২০২৬ সালের কোরবানিতে প্রস্তুত করা চারটি পশুর একটি বিক্রিই হয়নি।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবানিজের জানা কাজ শেখানোর কোর্স বানিয়ে বিক্রি। পুঁজি প্রায় শূন্য, কোর্সের দাম ৳১,২৫০–৮,৮০০; তবে নতুন কোর্সের প্রথম ব্যাচে ভর্তি হয় মাত্র ১৬–৭২ জন।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারাত হিসেবে ঘর ভাড়ার ব্যবসা। এক তারকা হোটেলে নিবন্ধন ও লাইসেন্স মিলিয়ে শুরুতেই ৳৪২,০০০ লাগে আর অন্তত ১০টি কক্ষ থাকতে হয়; সরকারি মোটেলে ঘর ভাড়া ৳৯০০–৪,৫০০।