কৃষি ও খামারকুল ও বরই চাষ
কম খরচ, কম রোগ, এক বছরেই ফল। বাগানে মণ ৳২,৫০০–৩,০০০, ঢাকায় খুচরা কেজি ৳১২০–২০০, আর মৌসুম জানুয়ারি থেকে এপ্রিল।
- পুঁজি
- ৳৭০ হাজার – ৳২.৫ লাখ
- জনবল
- ১ – ৫ জন
- প্রথম আয়
- ৩৬৫ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
২০৩টি ব্যবসা
কৃষি ও খামারকম খরচ, কম রোগ, এক বছরেই ফল। বাগানে মণ ৳২,৫০০–৩,০০০, ঢাকায় খুচরা কেজি ৳১২০–২০০, আর মৌসুম জানুয়ারি থেকে এপ্রিল।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাআইপিএস বসানো আর ব্যাটারি বদলানোর দোকান। মেশিন একবার বিক্রি হয়, ব্যাটারি প্রতি ১৮–৩০ মাসে আবার — আর পুরো সেটের দামের বেশির ভাগটাই ব্যাটারির।
কৃষি ও খামারমাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষ। ঢাকায় একটি ছাদের অবকাঠামোতেই খরচ হয়েছিল প্রায় ৳২,০০,০০০, আর ঢাকার বাইরে এখনো বাণিজ্যিক ক্রেতা প্রায় নেই।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমৌচাষির কাঁচা মধু কিনে ছেঁকে বোতলে নিজের নামে বিক্রি। বোতলজাত মধু ৳৮০০–২,১০০ কেজি, তবে বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স বাধ্যতামূলক আর নমুনা পরীক্ষার ফি ৳৭,৫০০।
কৃষি ও খামারগোলাপ, জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস ও গাঁদা ফলিয়ে গদখালী বা গাবতলীর পাইকারি মোকামে বিক্রি। এক বিঘা গোলাপে খরচ প্রায় ৳১,৫০,০০০, আর সারা বছরের আয় নির্ভর করে কয়েকটি দিবসের দামের উপর।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত রিকশার ব্যাটারি চার্জ করার গ্যারেজ। বিদ্যুতের দর এলটি-ডি৩ শ্রেণিতে ইউনিটপ্রতি ৳৯.০৯–১৪.২০, আর আবাসিক সংযোগ থেকে বাণিজ্যিক চার্জিং নিষিদ্ধ।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণআড়ত থেকে বস্তায় বাদাম-খেজুর কিনে ছোট প্যাকেটে নিজের নামে বিক্রি। পাইকারি কাঠবাদাম ৳১,১৫০ ও কাজু ৳১,৬০০ কেজি, প্যাকেটে ৳১,২০০–২,৬০০। বিএসটিআই সিএম লাগে না, মোড়কজাতকরণ সনদ লাগে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরাস্তার পাশে ছোট দোকানে সাইকেল, রিকশা ও ই-রিকশা মেরামত। যন্ত্রপাতি ও মালের দাম মিলিয়ে ৳১৫,০০০ থেকেই শুরু করা যায়, আর খদ্দের কাজ শেষে নগদ টাকা দিয়ে যান।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণনারকেল থেকে কোপরা বানিয়ে ঘানি বা এক্সপেলারে তেল বের করা। সাধারণ নারিকেল তেল লিটারে ৳৮০০–১,০০০, ভার্জিন ৳২,৪২০–৩,১৮০; দুটোরই বিএসটিআই সিএম লাইসেন্স লাগে।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাফ্ল্যাট ও অফিস গভীরভাবে পরিষ্কার করার সেবা। ঢাকায় বাথরুম ৳১,২২৫–২,২৫০, পুরো বাড়ি ৳৫,১০০–৯,২০০, মেঝে ৳৩.৫–১০ প্রতি বর্গফুট।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাগাড়ি ধোয়া, ভেতর পরিষ্কার ও পলিশ। ঢাকায় অনলাইন প্ল্যাটফর্মের দর ৳১,৭৯০–৫,৭০০ প্রতি গাড়ি, আর প্রেশার ওয়াশার ৳৭,২৫০ থেকেই কেনা যায়।
কৃষি ও খামারছয়-সাত মাসেই ফল আসে। বিঘায় খরচ প্রায় ৳৫০,০০০, পাইকারি দর কেজি ৳২০–৬৫, আর বিঘায় ২–আড়াই লাখ টাকার পেঁপে তোলা সম্ভব।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমুর্তার বেতি দিয়ে হাতে পাটি বোনা। ঝালকাঠিতে একটি পাটি চার-পাঁচ দিনে বুনে বিক্রি ৳১,০০০–৩,৫০০, আর জিআই সনদ থাকলেও দাম বাড়েনি — কারিগর এখনো মহাজনের দাদনেই বাঁধা।
কৃষি ও খামারখালপাড়ের পেয়ারা বাগান আর ভীমরুলীর ভাসমান হাটে বিক্রি। ২০২৬ সালে মণ ৳১,০০০–১,২০০, কিন্তু দশ বিঘার বাগানে দিনে ১০ মণের জায়গায় মিলছে ৩–৫ মণ, আর হিমাগার নেই বলে বাকিটা পচে যায়।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবাঁশ-বেত চিরে কুলা, ঝুড়ি, খাঁচা ও পর্যটকের কারুপণ্য বোনা। একটি ভালো বাঁশ ৳৪০০–৫০০, তা থেকে পাঁচ দিনে ১৫–২০টি কুলা; হাঁস-মুরগির খাঁচা কারিগর পান ৳১৮০, দোকানি বেচেন ৳২০০।
কৃষি ও খামারপাহাড়ের জমিতে কাজুবাদাম ও কফির বাগান। চাষি কাঁচা বাদামে কেজি ৳১৮০–২০০ আর কাঁচা কফিতে ৳৩৫০–৪০০ পান, কিন্তু চারা লাগানোর পর প্রথম ফল পেতে কফিতে ৩–৪ আর কাজুতে ৪–৫ বছর লাগে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসানদী থেকে ওঠা পাথর-বালু কিনে নির্মাণের বাজারে বিক্রি। পঞ্চগড়ে ১০০ ঘনফুটের এক ট্রাক্টর পাথর ৳৮,০০০, আর ঢাকায় দেশি থ্রি-ফোর পাথর ঘনফুট ৳১২৩–১২৫ — মাঝখানের পুরোটাই ট্রাকভাড়া আর ইজারার মাশুল।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচরের মহিষের কাঁচা দুধ মাটির হাঁড়িতে বসিয়ে দই। ভোলায় দুধ ৳১৫০ কেজি কিনে দই বিক্রি ৳২০০ কেজি — লাভ কেজিতে ৳৫০, আর দুধ পাওয়াই সবচেয়ে বড় সমস্যা।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঘরে বসে সুতি কাপড়ে মোম ও রং দিয়ে বাটিক-টাই-ডাইয়ের শাড়ি ও থ্রি-পিস তৈরি। কুমিল্লার দোকানে বাটিক শাড়ি ৳৫০০ থেকে ৳১,৭০০; একজন কারিগর দিনে প্রায় ১০টি শাড়ি করতে পারেন।
কৃষি ও খামারনদীর চরে বাদাম, ভুট্টা ও মিষ্টিকুমড়ার চাষ। জমি প্রায় বিনা পয়সায়; ২৫ শতকে ৳১৬,০০০ খরচে ৳২৬,৪০০ ওঠে, একরে খরচ ৳৬৫,০০০ আর বিক্রি ৳১,৩৭,০০০।
কৃষি ও খামারঅন্যের আমবাগান এক বা একাধিক মৌসুমের জন্য ইজারা নিয়ে ফল বিক্রি। সখীপুরের এক বাগানে গাছপ্রতি বছরে ইজারা প্রায় ৳৮৩৩; বাগান থেকে পাইকারি দর মণ ৳১,৩২০ থেকে ৳৭,৭০০।
কৃষি ও খামারটিলা ও পতিত জমিতে লেবু-আনারসের বাগান। ঢাকায় লেবুর হালি সেপ্টেম্বরে ৳২০–৩০, রোজায় ৳১০০–১২০; মধুপুরে আনারস পাইকারিতে প্রতিটি ৳২০–২৫।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাছোট দোকানে পিওএস ও হিসাবের সফটওয়্যার বসিয়ে দেওয়ার কাজ। প্রতিযোগী বিনা মূল্যের অ্যাপ — টালিখাতায় নিবন্ধিত প্রায় ৪৭ লাখ ব্যবসায়ী; তাই আয় আসে যন্ত্র ও সেবা থেকে।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঅ্যাপ বা পেজে অর্ডার নিয়ে মুদি বাজার বাসায় পৌঁছে দেওয়া। চিনিতে লাভ ৭%, বোতলজাত তেলে প্রায় শূন্য — এই পাতলা লাভের ভেতর থেকেই ডেলিভারির খরচ বের করতে হয়।