ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারিসোর্ট ও কটেজ
পর্যটন এলাকায় ছোট রিসোর্ট বা কটেজ চালানো। ভরা মৌসুমে সাজেকে শতভাগ বুকিং, কিন্তু মৌসুম ছোট আর ২০২৫ সালে এক আগুনেই ৯৪টি রিসোর্ট-কটেজ পুড়ে গেছে।
- পুঁজি
- ৳৮ লাখ – ৳২ কোটি
- জনবল
- ৩ – ৩০ জন
- প্রথম আয়
- ১৮০ – ৫৪০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
৯২টি ব্যবসা
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপর্যটন এলাকায় ছোট রিসোর্ট বা কটেজ চালানো। ভরা মৌসুমে সাজেকে শতভাগ বুকিং, কিন্তু মৌসুম ছোট আর ২০২৫ সালে এক আগুনেই ৯৪টি রিসোর্ট-কটেজ পুড়ে গেছে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাচ্চি, তেহারি ও মোরগ পোলাও প্লেট ধরে বিক্রি। খরচের প্রায় পুরোটাই মাংস — এক ডেকচি শাহি মাটন কাচ্চির কাঁচামালেই ৳১৩,২৬৫–১৫,০৫৪ যায়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচুক্তিতে নিরাপত্তাকর্মী সরবরাহ। একজন গার্ডের সার্ভিস চার্জ ৯–১০ হাজার টাকা আর বেতনই ৮–১৫ হাজার — মাঝের ফাঁকটাই পুরো ব্যবসা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণভুট্টা, সয়াবিন মিল ও কুঁড়া মিশিয়ে মুরগির খাবার বানিয়ে ৫০ কেজির বস্তায় বিক্রি। বস্তার দর ৳৩,০০০–৩,৬৬৯, আর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ও বিএসটিআই সিএম দুটোই বাধ্যতামূলক।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঝুট কাপড়ে গেঞ্জি, মোজা ও সোয়েটার বানানোর কারখানা। পাবনায় প্রায় এক হাজার কারখানা, বছরে ১৮–২০ কোটি পিস; তবে ভারতে স্থলপথ বন্ধ হওয়ায় ৬৫ শতাংশ শ্রমিক কর্মহীন।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবামোটরযান চালনা শেখানোর প্রতিষ্ঠান। বিআরটিএ-র লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, রেজিস্ট্রেশন ফি ৳১৫,০০০, আর সারা দেশে নিবন্ধিত স্কুল মাত্র ১৫২টি।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপঢেউতোলা কাগজে কার্টন ও বাক্স বানানোর কারখানা। ছোট পার্সেল কার্টন প্রতিটি ৳২৪–৪০, আর দেশে দিনে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ পার্সেলই সবচেয়ে বড় বাজার।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকেক, পেস্ট্রি ও কাপকেক বানিয়ে দোকানে ও অর্ডারে বিক্রি। তাকের কেকে ক্ষতির ঝুঁকি, আর অর্ডারের সাজানো কেকেই আসল লাভ।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবামাছ ধরা, মালামাল টানা ও পর্যটকের জন্য নৌকা-ট্রলার ভাড়া দেওয়া। ডিজেল লিটারে ৳১১৫, আর ৮–২৯ অক্টোবর ২০২৬ ২২ দিন ইলিশ ধরা পুরোপুরি বন্ধ।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপাওয়ার টিলার, শ্যালো ইঞ্জিন ও স্প্রে মেশিনের যন্ত্রাংশের দোকান। ২০২৪ সালের জুন থেকে ভর্তুকি বন্ধ থাকায় মেশিন বিক্রি ৮০–৯০% কমেছে, কিন্তু মাঠের যন্ত্র চলছে — তাই আয় আসে যন্ত্রাংশ থেকে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপুরোনো জুতা ও ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক গলিয়ে সস্তা স্যান্ডেল বানানো। দেশে ৩০০–৪০০ কারখানা, বছরে কোটি জোড়ার বেশি উৎপাদন, আর খুচরা দাম জোড়াপ্রতি ৳১০০–৫০০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণনিলাম থেকে খোলা চা কিনে মিশিয়ে নিজের নামে প্যাকেট করা। ২০২৬-২৭ নিলামবর্ষে চট্টগ্রামে গড় দর ৳২৮০.৮৮ কেজি, আর দোকানে প্যাকেট চা ৳৪২৮–৬৫০।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপজমি ভরাট, পুকুর ভরাট ও মাটি কাটার ঠিকাদারি। ঢাকায় ভরাট বালু ঘনফুট ৳৮–১২, আর অনুমতি ছাড়া মাটি তুললে ভেকু বাজেয়াপ্ত ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপানি শোধন করে জারে ও বোতলে ভরে বিক্রি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর লাভের বড় অংশ যায় দোকানি ও পরিবেশকের ঘরে — কারখানার নয়।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ, গুঁড়া দুধ ও চিনি দিয়ে আইসক্রিম, কুলফি ও পপসিকল তৈরি। বিএসটিআই সনদ বাধ্যতামূলক, আর মাইনাস ২০ ডিগ্রির ঠান্ডার শিকল একবার ভাঙলেই মাল নষ্ট।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাগাড়ি ও মোটরসাইকেলের টায়ার-ব্যাটারি বিক্রি ও লাগানো। গাড়ির টায়ার ৳১১,০০০–২৯,০০০, বাইকের টায়ার ৳১,৭৫০–১৫,৬৫০, বাইকের ব্যাটারি ৳১,০৫০–১,৯৫০।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশীতের টমেটো কিনে সস ও কেচাপ বানিয়ে বোতলে বিক্রি। বাজারে সস ৳৩২০–৪৩০ কেজি, আর বিএসটিআইয়ের নমুনা পরীক্ষাতেই কেচাপে ৳১১,১০০, সসে ৳১২,২০০।
কৃষি ও খামারশীতের ফসল, ৭২–৭৫ দিনে ফল। কেজি ৳৪০০–১০০০, কিন্তু ৩০ শতকেই খরচ প্রায় ৪ লাখ আর ফল দুই-তিন দিনের বেশি থাকে না।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণময়দার খামির কলে কেটে সেমাই ও নুডলস তৈরি। বছরের বেশির ভাগ বিক্রি রোজার ঈদে, আর একই আটা দিয়ে খোলা সেমাই ৳৮০ থেকে ঘিয়ে ভাজা লাচ্ছা ৳১,৬০০ পর্যন্ত যায়।
ডিজিটাল ও বি২বি সেবাসমিতি গড়ে সঞ্চয় ও ছোট ঋণ। এমআরএ-র সনদ বাধ্যতামূলক, আর ৪ নভেম্বর ২০২৪ থেকে নতুন সনদের আবেদনই বন্ধ। সার্ভিস চার্জের সর্বোচ্চ সীমা ক্রমহ্রাসমান ২৪ শতাংশ।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপছাঁচে গলানো প্লাস্টিক ঢেলে বালতি, মগ ও চেয়ার বানানো। বাজার ৫০ হাজার কোটি টাকার, কিন্তু আরএফএলের দোকানেই ৩০ লিটারের বালতি ৳১৯৩ — নতুন দানা কিনে এই দামে টেকা যায় না।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবাজুসের ঠিক করা দরে সোনা-রুপার গয়না বেচাকেনা। ২২ ক্যারেট গ্রামে ৳১৯,৯৭০; লাভ আসে ৬% মজুরি আর পুরোনো সোনায় ১৫–১৭% ওজন বাদ দেওয়া থেকে।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণআড়ত থেকে বস্তায় বাদাম-খেজুর কিনে ছোট প্যাকেটে নিজের নামে বিক্রি। পাইকারি কাঠবাদাম ৳১,১৫০ ও কাজু ৳১,৬০০ কেজি, প্যাকেটে ৳১,২০০–২,৬০০। বিএসটিআই সিএম লাগে না, মোড়কজাতকরণ সনদ লাগে।