মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

চ্যানেল আই অনলাইনের প্রতিবেদনে বাগেরহাটের তালেশ্বর কুমারপাড়ার একজন কুমার

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবাগেরহাট

মিশ্র অভিজ্ঞতা

মাসে ১৫–১৬ হাজার টাকা খরচে লাভ ৮ হাজার, টিকে আছে ১৫ পরিবার

বাগেরহাটের তালেশ্বর কুমারপাড়ায় একসময় ২০০-এর বেশি পরিবার মৃৎশিল্পে ছিল, এখন আছে প্রায় ১৫টি। একজন কুমারের মাসিক খরচ ১৫,০০০–১৬,০০০ টাকা, আর লাভ থাকে প্রায় ৮,০০০ টাকা।

মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের রাজনগরের একজন পাটিকর

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমৌলভীবাজার

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কোভিডের আগে মাসে লাখ টাকার পাটি, এখন ৩০–৪০ হাজারও নয়

চল্লিশ বছরের এক পাটিকরের মাসিক বিক্রি ১ লাখ টাকা থেকে নেমেছে ৩০–৪০ হাজার টাকার নিচে, কারিগর ৩০ জন থেকে ৫ জনে। কারিগর হিসেবে দিনে আয় ২০০–৩০০ টাকার বেশি হতো না, তাই অনেকে পেশা বদলেছেন।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সাতক্ষীরার দেবহাটার বাঁশের কারিগরেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপসাতক্ষীরা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

একটি বাঁশের দাম ১৫০–২০০ টাকা, ঝুড়ির দাম আটকে ১৫০ টাকাতেই

দেবহাটার কোরা পাকড়াতলা গ্রামে প্রায় ৫০ জন কারিগর বাঁশের কাজ করেন। একটি ঝুড়িতে খরচ ৭০–৮০ টাকা, বিক্রি ১৫০ টাকা, দিনে হয় দুটি; আরেকজন তাবড়া ১৮০ টাকায় কিনে বিক্রি করেন ২০০ টাকায়।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার একজন বাঁশের হস্তশিল্প উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপখাগড়াছড়ি

যা কাজ করেছে

প্রশিক্ষণ আর একটি ফেসবুক পেজ, খরচ বাদে মাসে ২০ হাজার টাকা

২০১৭ সালে স্নাতক শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ২০২১ সালে বাঁশের হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ, সে বছরের ডিসেম্বরেই ব্যবসা শুরু। ট্রে ৬০০, ফুলদানি ৪০০ আর জুমঘরের নকশা ১,২০০ টাকায় বিক্রি; খরচ বাদে মাসে আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা।

২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

সমকালের প্রতিবেদনে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার একজন হোগলাপণ্য উৎপাদক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপময়মনসিংহ

যা কাজ করেছে

ঢাকার কারখানায় কাজ শিখে গ্রামে ফিরে বছরে কোটি টাকার হোগলাপণ্য

নবম শ্রেণিতে থাকতে ঢাকার এক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখে ২০১৬ সালে গ্রামে ফিরে উৎপাদন শুরু। এখন বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য তৈরি হয়; বাড়িতে বসে কাজ করা নারীরা মাসে পান ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।

২০১৬ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার সাঁথিয়ার কচুরিপানার হস্তশিল্পের একজন উদ্যোক্তা দম্পতি

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাবনা

যা কাজ করেছে

দিনে ৫০–৬০ মণ কচুরিপানা, খরচ বাদে মাসে ৩০–৪০ হাজার টাকা

ঢাকার এক ক্রেতার কাছে কচুরিপানার পণ্য দেখে ২০২০ সালে শুরু। এখন দিনে ৫০–৬০ মণ কাঁচা কচুরিপানা কেনা হয় মণপ্রতি ১০০–১২০ টাকায়; খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা, কাজ করেন ৬০–৭০ জন।

২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের একজন পাটপণ্য উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমৌলভীবাজার

মিশ্র অভিজ্ঞতা

৫০ কর্মী নেমে ১৫, রপ্তানির খেলনা ছেড়ে দেশের বাজারে ব্যাগ

২০২০ সালের মার্চের আগে পাটের খেলনা বানিয়ে রপ্তানি করতেন, কর্মী ছিলেন ৫০ জন। মহামারির পর কর্মী নেমেছে ১৫ জনে, পণ্য বদলে হয়েছে দেশের বাজারের ব্যাগ; ব্যাংক হিসাবে লেনদেন কম বলে কোনো ঋণ মেলেনি।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের খানসামার একজন কুটিরশিল্প উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদিনাজপুর

যা কাজ করেছে

ভ্যানে ফেরি করে শুরু, এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার পণ্য

২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর ভ্যানে পণ্য ফেরি করে শুরু। এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার হোগলা-পাট-সুতলির পণ্য তৈরি হয়, লাভ ২ লাখ টাকার বেশি, স্থায়ী কর্মী ৫৪ জন আর চুক্তিভিত্তিক ২৫০-এর বেশি।

২০১৬ সালে শুরু
মন্তব্য

সমকালের প্রতিবেদনে কুমিল্লার কমলপুর গ্রামের বাটিক কারখানার মালিকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকুমিল্লা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

পিসে লাভ ৬০–৭০ টাকা, তবু বাটিক ছাড়ছেন কারখানার মালিকেরা

কমলপুর গ্রামে ১৫–২০টি বাটিক কারখানায় বছরে লেনদেন ৪০–৪৫ কোটি টাকা। একজন মালিকের প্রতি পিসে লাভ ৬০–৭০ টাকা, কিন্তু কাপড় ও রঙের দাম আর কারিগর-সংকটে অনেকে কাজ ছেড়ে দিচ্ছেন।

মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে যশোরের একজন নকশি কাঁথা উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপযশোর

যা কাজ করেছে

১০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে ৫০ লাখের বিক্রি, সেলাই করেন ৫ হাজার জন

২০১১ সালে ১০,০০০ টাকা নিয়ে নকশি কাঁথার কাজ শুরু; এখন মাসে বিক্রি ৪–৫ লাখ, বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা, আর সেলাই করেন ৫,০০০-এর বেশি মানুষ। একই প্রতিবেদনে ২০ বছরের এক কারিগরের মাসিক আয় ৩,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳১০ হাজার
২০১১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের একজন হাতের কাজের উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরংপুর

যা কাজ করেছে

আড়াই লাখের অর্ডার বাতিল, ৪৫ হাজার টাকা লোকসানের পর মাসে ৩–৪ লাখের বিক্রি

২০২১ সালে ১০,০০০ টাকার কাপড়-সুতা দিয়ে শুরু। আত্মীয়ের মাধ্যমে কেনা নিম্নমানের কাপড়ে আড়াই লাখ টাকার বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়, লোকসান প্রায় ৪৫,০০০ টাকা; নিজে মাল কেনা শুরু করার পর এখন মাসে বিক্রি ৩–৪ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳১০ হাজার
২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে পাবনার সৈয়দপুরের একজন পোশাক কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাবনা

যা শিখেছি

ঋণ শোধে জমি বিক্রি, কোভিডে বন্ধ ২১ বছরের কারখানা

ভারত, নেপাল ও ভুটানে জ্যাকেট-টি-শার্ট পাঠানো ১৮ কর্মীর কারখানা। ৫ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ শোধ হয়েছিল জমি বিক্রি করে; ২০২০ সালের মার্চে দুই মাস বন্ধ থাকার পর ২১ বছরের ব্যবসা গুটিয়ে যায়।

মন্তব্য