মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের চকরিয়ার মাতামুহুরীর চরের একজন বাদামচাষি

কৃষি ও খামারকক্সবাজার

যা কাজ করেছে

মাতামুহুরীর চরে একরে খরচ ৬৫ হাজার, লাভ আশা করছেন ৭২ হাজার

চকরিয়ার চরে ৬.৫ একর জমিতে বাদাম; একরপ্রতি খরচ প্রায় ৬৫,০০০ টাকা, বিক্রি আশা করছেন প্রায় ১,৩৭,০০০ টাকা — অর্থাৎ একরে প্রায় ৭২,৫০০ টাকা লাভ, মৌসুমে প্রায় ৪,৬৪,০০০ টাকা।

১ জনের কাজে লেগেছে

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের পীরগঞ্জের একজন চারা উৎপাদক

কৃষি ও খামাররংপুর

যা কাজ করেছে

এনজিওর ২০ হাজার টাকায় শুরু, তিন মাসে ৪০ হাজার চারা বিক্রি

২০২০ সালে এনজিওর ২০,০০০ টাকা ঋণে মাটি ছাড়া ৪০,০০০ চারা, তিন মাসে বিক্রি ৪০,০০০ টাকায়। এবার ২৫ শতকে ৪ লাখ চারা, খরচ প্রায় ৪ লাখ টাকা; দেড় মাসে ৭ লাখ টাকার বিক্রি আশা করছেন।

পুঁজি
৳২০ হাজার
চলেছে
৩ মাস
২০২০ সালে শুরু

১ জনের কাজে লেগেছে

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাজশাহীর মোহনপুরের একজন পেঁয়াজবীজ উৎপাদক

কৃষি ও খামাররাজশাহী

যা কাজ করেছে

১৪ জেলার ৩৫০ চাষিকে দিয়ে বছরে ২৯ টন পেঁয়াজবীজ

সপ্তম শ্রেণিতে পড়া ছেড়ে হাল ধরা এই চাষি ৩২ বছর ধরে বীজে আছেন; নিজের নামকরা ছয় জাতের হাইব্রিড পেঁয়াজবীজ, গত বছর উৎপাদন ২৯ মেট্রিক টন, লক্ষ্য ৪০ টন।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাঙামাটির বাঘাইছড়ির একজন আগরবাগানের মালিক

কৃষি ও খামাররাঙ্গামাটি

যা কাজ করেছে

৩৬টি আগরগাছ বিক্রি ১৩ লাখ টাকায়, একটিই ৬ লাখ

বাঘাইছড়ির এই বাগানমালিক ৩৬টি আগরগাছ বিক্রি করেছেন মোট ১৩ লাখ টাকায় — সবচেয়ে বড় গাছটিই গেছে ৬ লাখে, বাকিগুলো ২৫–৩০ হাজার টাকায়।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের একজন রঙিন মাছের খামারি

কৃষি ও খামাররংপুর

যা কাজ করেছে

৩ হাজার টাকায় শুরু, এখন দেড় লাখ রঙিন মাছ আর মাসে ৫০ হাজার

করোনায় ক্যাম্পাস বন্ধ থাকতে ৩,০০০ টাকা আর কিছু অটো ব্রিড মাছ দিয়ে ঘরে শুরু। ৪৫ শতকের পুকুরের মাছ পাঁচ মাস পর বিক্রি হয় বড় লাভে; এখন ৩ পুকুর, ১৮ চৌবাচ্চা, মাসে আয় ৪৫–৫০ হাজার টাকা।

পুঁজি
৳৩ হাজার
চলেছে
৫ মাস
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের বড়লেখার একজন কবুতর ও শৌখিন পাখির খামারি

কৃষি ও খামারমৌলভীবাজার

যা কাজ করেছে

দুই জোড়া শখের কবুতর থেকে ৭০০ কবুতর, মাসে ৭০–৮০ হাজার টাকা

ক্লাস নাইনে ৫,০০০ টাকায় স্টেশনারি দোকান, ২০১৪ সালে শখে দুই জোড়া কবুতর। এখন ২০ জাতের প্রায় ৭০০ কবুতর, বাজারদরে ৮–৯ লাখ টাকা; পাখি আর দুই দোকান মিলিয়ে মাসে ৭০–৮০ হাজার টাকা।

পুঁজি
৳৫ হাজার
২০১৪ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর একজন ঔষধি গাছের চাষি

কৃষি ও খামারগাইবান্ধা

যা কাজ করেছে

দুই শতকের ভিটা থেকে ঔষধি গাছে বছরে ১৫ লাখ টাকার বিক্রি

চাষের জমি ছিল না; ২০০৭ সালে বাড়ির আশপাশে কালোমেঘ দিয়ে শুরু। এখন ৪ বিঘা আর ১০,০০০ চারার নার্সারি থেকে বছরে প্রায় ১৫ লাখ টাকার বিক্রি, নিট আয় প্রায় ৩ লাখ — মাসে ২৫,০০০ টাকা।

২০০৭ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাজশাহীর চারঘাটের একজন মাল্টাচাষি

কৃষি ও খামাররাজশাহী

যা কাজ করেছে

এক মৌসুমে মাল্টায় ১০–১২ লাখ, চারা বিক্রিতে আরও ১৫–২০ লাখ

চারঘাটে ২০১৯ সালে ৯ বিঘা লিজ নিয়ে শুরু, এখন ১৬ বিঘা। এক মৌসুমে মাল্টা থেকে নিট আয় ১০–১২ লাখ টাকা, বছরে চারা বিক্রি থেকে আরও ১৫–২০ লাখ; বাগানেই কেজি ২০০ টাকা।

২০১৯ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়া শহরের একজন দুগ্ধখামারি

কৃষি ও খামারবগুড়া

যা কাজ করেছে

দুটি গরু দিয়ে শুরু, এখন দিনে দেড় হাজার লিটার দুধ

১৯৯৪ সালে দেড় লাখ টাকায় দুটি গরু কিনে শুরু; এখন ২১৫টি গবাদিপশু, দিনে প্রায় ১,৫০০ লিটার দুধ, খামারের গেটেই লিটার ৮০ টাকায় বিক্রি।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ
১৯৯৪ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির একজন গমচাষি

কৃষি ও খামারচট্টগ্রাম

যা কাজ করেছে

৪০ শতক জমিতে গমে ৬ হাজার টাকা লাভ, এবার জমি বাড়াচ্ছেন

ফটিকছড়ির এই চাষি গত বছর ৪০ শতক জমিতে গম করে প্রায় ৬,০০০ টাকা লাভ পেয়েছেন; এবার জমি বাড়াচ্ছেন। উপজেলায় গমের আবাদ ২৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ৪০ হেক্টর।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একটি জুতার ব্র্যান্ডের উদ্যোক্তা দম্পতি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাঢাকা

যা কাজ করেছে

স্ত্রীর জমানো ৯০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে লেনদেন ৮ কোটি

২০২১ সালে স্ত্রীর জমানো ৯০,০০০ টাকা দিয়ে ফেসবুক ও নিজস্ব ওয়েবসাইটে জুতার ব্র্যান্ড শুরু; এখন ঢাকায় দুটি শোরুম, প্রায় ৯০ জন কর্মী আর বছরে লেনদেন প্রায় ৮,০০,০০,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৯০ হাজার
২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

দ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদনে রাজবাড়ীর একজন দই কারখানার মালিক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণরাজবাড়ী

যা কাজ করেছে

শখের দই থেকে দিনে ৩১০–৩৩০ কেজি, চাহিদা এখনো ৫০ কেজি বেশি

দিনে ৬২০–৬৫০ লিটার দুধ থেকে তৈরি হয় ৩১০–৩৩০ কেজি দই। কারখানায় ৮,০০,০০০ টাকা, বিতরণের গাড়িতে ৫,০০,০০০ আর জমিতে ৬,০০,০০০ টাকা খরচ; চাহিদা এখনো দিনে প্রায় ৫০ কেজি বেশি।

২০১৮ সালে শুরু
মন্তব্য