মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নোয়াখালীর ওয়েল্ডিং ও ধাতব কারখানার মালিকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনোয়াখালী

যা শিখেছি

দিনে পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নেই, মজুরিই ৩ হাজার — দিনের আয় তা-ও ছোঁয় না

মাইজদীর এই ওয়েল্ডিং কারখানা খোলা থাকে নয় ঘণ্টা, তার প্রায় পাঁচ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না। তিন কর্মীর মজুরি দিনে ৩,০০০ টাকা, অথচ দিনের কাজ প্রায়ই ৩,০০০ টাকায় পৌঁছায় না।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার খোলাশ গ্রামের একজন খেলনা কারিগর

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবগুড়া

যা শিখেছি

মেলা বন্ধ, গুদামে নষ্ট ৯০ হাজার টাকার খেলনা, পরের বছরও পড়ে রইল ৬০ হাজারের মাল

চৈত্র থেকে জ্যৈষ্ঠ — তিন মাসের মেলাই এই কাঠের খেলনার পুরো বাজার। এক বছরে গুদামে নষ্ট হয় ৯০,০০০ টাকার খেলনা, পরের মৌসুমের জন্য ধারে বানানো ৬০,০০০ টাকার মালও পড়ে থাকে।

পুঁজি
৳৬০ হাজার
মন্তব্য

প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদনে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের জুতা কারখানার মালিকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকিশোরগঞ্জ

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কেমিক্যাল নেই, রোজার ছয় দিন কারখানা বন্ধ, হাতের কাজও অর্ধেক

আমদানি করা কেমিক্যাল না আসায় ভৈরবের ১০–১২টি ছোট-বড় জুতার কারখানা বন্ধ। হাতে তৈরি জুতা দিনে ২০–২৪ জোড়া থেকে নেমেছে ১০–১২ জোড়ায়, অর্ডার অর্ধেক।

মন্তব্য

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে নোয়াখালীর চৌমুহনীর একজন জুতা কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনোয়াখালী

যা কাজ করেছে

৩ লাখ টাকার ব্যাংকঋণে কারখানা, এখন মাসে ৩০ লাখ টাকার জুতা

২০ টাকা বেতনের দোকান-কর্মচারী থেকে শুরু; ৩,০০,০০০ টাকার ব্যাংকঋণে নিজের কারখানা। এখন ৪০ জন কর্মী, দিনে ৩০০–৩৫০ জোড়া, মাসে বিক্রি ৩০ লাখ, নিজের আয় ৩ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳৩ লাখ
মন্তব্য

বিডিনিউজ২৪ বাংলার প্রতিবেদনে নাটোরের বড়াইগ্রামের একজন খুঁটি কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনাটোর

যা কাজ করেছে

গরু বেচে ৪০ হাজার, বাকিটা ১৮ মাসের শ্রমে — এখন দিনে লাভ ১২–১৫ হাজার

২,৮০,০০০ টাকার খুঁটির কারখানা কেনা হয়েছিল হাতে মাত্র ৪০,০০০ টাকা নিয়ে; বাকি টাকা শোধ হয়েছে চাচার কারখানায় ১৮ মাস শ্রম দিয়ে। এখন দুই কারখানায় দিনে ৬০০–৬৫০ খুঁটি, লাভ ১২,০০০–১৫,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৪০ হাজার
মন্তব্য

ঢাকা টাইমস ২৪-এর প্রতিবেদনে কুড়িগ্রামের একজন ব্লক কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকুড়িগ্রাম

যা কাজ করেছে

ইউটিউব দেখে ব্লকের কারখানা, দিনে ৭–১০ হাজার ব্লক, মাসে ৩–৪ লাখ টাকা

২০২১ সালে কুড়িগ্রাম সদরে গড়া এই ব্লক কারখানায় দিনে তৈরি হয় ৭,০০০–১০,০০০ ব্লক; মালিকের গড় মাসিক আয় ৩–৪ লাখ টাকা। সাধারণ ইটের চেয়ে নির্মাণ খরচ ২৫ শতাংশ কম।

২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের সুজানগরের একজন আতর কারিগর

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমৌলভীবাজার

মিশ্র অভিজ্ঞতা

ঘনফুটে ২৬ থেকে ৩০ টাকা, মাসে গ্যাস বিলই ৩০ হাজার

সুজানগরের এই আতর চুল্লিতে মাসে তৈরি হয় প্রায় ১২ তোলা আতর, তোলা ৬,০০০ টাকা; অথচ শুধু গ্যাস বিলই মাসে ৩০,০০০ টাকা। চা-শিল্প যেখানে ঘনফুটে ১১.৯৩ টাকা দেয়, এখানে দিতে হয় ৩০ টাকা।

মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের বড়লেখার একজন আতর কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমৌলভীবাজার

যা শিখেছি

ফ্লাইট বন্ধ হতেই দুই কোটির রপ্তানি থেমে এক কোটি টাকার লোকসান

বড়লেখার সুজানগরের এই আগর-আতর কারখানা সাধারণ বছরে প্রায় ২ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করে। করোনায় মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকায় ২০২০ সালে ক্ষতি দাঁড়ায় প্রায় ১ কোটি টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার একজন ঘরোয়া মোমবাতি প্রস্তুতকারক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপখাগড়াছড়ি

মিশ্র অভিজ্ঞতা

১০ হাজার টাকার যন্ত্রে ব্যাচে হাজার মোমবাতি, নয় বছরেও দ্বিতীয় যন্ত্র হয়নি

দীঘিনালার ঘরোয়া মোমবাতির কাজ: এক ব্যাচে ১,০০০ মোমবাতি, কাঁচামাল ২৫০ টাকার, বিক্রি ৬০০ টাকায়। সংসার চলে, কিন্তু নয় বছর পরও যন্ত্র একটাই।

পুঁজি
৳১০ হাজার
২০১১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নরসিংদীর একজন হাতে বানানো সাবান প্রস্তুতকারক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনরসিংদী

যা কাজ করেছে

৬০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে ৫০ হাজার সাবান যাচ্ছে জাপানে

২০০৭ সালে ৬০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে হাতে বানানো সাবানের কাজ শুরু। ২০০৯ সালে জাপান থেকে প্রথম অর্ডার ৫,০০০ ডলারের, প্রায় ৫০,০০০ পিস; এখন বছরে গড়ে ৫০,০০০ সাবান রপ্তানি হয়, কর্মী ১৩ জন।

পুঁজি
৳৬০ হাজার
২০০৭ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের একজন দড়ির হস্তশিল্প উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদিনাজপুর

যা কাজ করেছে

৩ হাজার টাকায় শুরু, এখন মাসে সাড়ে তিন লাখ টাকার বিক্রি

২০২০ সালে ৩,০০০ টাকা নিয়ে ঘরে বসে শুরু। এখন মাসে বিক্রি ৩–৩.৫ লাখ টাকা, খরচ বাদে মুনাফা বিক্রির ১৫–১৭ শতাংশ, আর কাজ করেন ২১–৩০ জন।

পুঁজি
৳৩ হাজার
২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিরাজগঞ্জের বেলকুচির তাঁতমালিক ও শ্রমিকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপসিরাজগঞ্জ

যা শিখেছি

৩ লাখ টাকার ঋণ মাথায়, জেলায় বন্ধ ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ তাঁত

অর্থসংকটে সিরাজগঞ্জের বেলকুচিসহ আশপাশের উপজেলায় তাঁত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এক তাঁতির মাথায় ৩ লাখ টাকার ঋণ; জেলায় বন্ধ ১,১২,৫০০ তাঁত আর কাজ হারিয়েছেন প্রায় ২,২৫,০০০ শ্রমিক।

মন্তব্য