খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকফি শপ
এসপ্রেসো মেশিন আর আমদানি করা কফি বিনের দোকান। কাপ ৳৫০ থেকে ৳৪০০, কিন্তু দিনে বিক্রি হয় ৭০–১০০ কাপ — ক্রেতা এক কাপ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন।
- পুঁজি
- ৳২.৩ লাখ – ৳২৫ লাখ
- জনবল
- ২ – ৮ জন
- প্রথম আয়
- ৩০ – ৯০ দিন
পুঁজি, জেলা আর কাজের ধরন দিয়ে ফিল্টার করুন। সব সংখ্যা একই হিসাবে লেখা, তাই পাশাপাশি রেখে তুলনা করা যায়।
২০৩টি ব্যবসা
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণএসপ্রেসো মেশিন আর আমদানি করা কফি বিনের দোকান। কাপ ৳৫০ থেকে ৳৪০০, কিন্তু দিনে বিক্রি হয় ৭০–১০০ কাপ — ক্রেতা এক কাপ নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকেন।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণদুধ কেটে ছানা, চেপে পনির। ৮–১০ কেজি দুধে ১ কেজি পনির, বিক্রি ৳৯০০–১,২০০ কেজি — পুরো ব্যবসাটাই দুধ আর পনিরের দামের ব্যবধান।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণগরমের দিনে লেবু, আখ ও বেলের শরবত গ্লাস ৳১০–২৫, লাচ্ছি ৳৫০। ব্যবসা দাঁড়ায় তিনটি জিনিসের উপর: বরফ, বিদ্যুৎ আর একটাই গরম মৌসুম।
কৃষি ও খামারসুপারি ও নারিকেল একসঙ্গে লাগিয়ে বাগান। সুপারি গাছে ফল আসে ৪–৫ বছরে, নারিকেলে আরও দেরিতে; পরিণত সুপারি গাছে বছরে ২০০–৫০০টি ফল, আর কৃষি তথ্য সার্ভিসের হিসাবে একরে বছরে ৳১–১.৫ লাখ লাভ সম্ভব।
কৃষি ও খামারআগর গাছ লাগিয়ে কাঠে পেরেক মেরে আগর জমানো, তারপর সেই কাঠ থেকে আতর। কিন্তু প্রথম টাকা আসে ৮ থেকে ১৬ বছর পর, আর রপ্তানি করতে বন অধিদপ্তরের সাইটিস অনাপত্তি সনদ লাগে।
কৃষি ও খামারঝাড় করে বাঁশ লাগিয়ে বছর বছর বাঁশ কেটে বিক্রি। চারা লাগানোর ৩–৪ বছরের আগে একটি বাঁশও কাটা যায় না; এরপর গ্রামে প্রতিটি বাঁশ ৳১০০–২৫০, হাটে পাইকারি ৳১২৫–৩৫০।
কৃষি ও খামারচরে বা বাথানে মহিষ পালন করে দুধ বেচা। একটি মহিষ দিনে ৪ থেকে ৮ কেজি দুধ দেয়, আর মহিষের দুধ লিটারে ৮০ থেকে ১৩০ টাকায় যায় — তবে সেই দাম শুধু সেসব জেলায় যেখানে দই বা মিষ্টির কারিগর আছে।
কৃষি ও খামারচৌবাচ্চা বা অ্যাকুরিয়ামে গাপ্পি, মলি, গোল্ডফিশ, এনজেল জাতীয় রঙিন মাছ বাচ্চা দিইয়ে বিক্রি করা। গোটা দেশের পাইকারি বাজার একটাই — ঢাকার কাটাবন, যেখানে জরিপে ৪০টি দোকান মিলেছিল।
কৃষি ও খামারলোনা পানির ঘেরে বা বাক্সে কাঁকড়া মোটাতাজা করে ডিপো ও রপ্তানিকারকের কাছে বেচা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে ৮৬৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকার কাঁকড়া গেছে, কিন্তু প্রায় পুরোটাই চীনে — আর চীন একবার দরজা বন্ধ করলে ২,০০০ টাকা কেজির কাঁকড়া ৩০০ টাকায় নামে।
কৃষি ও খামারসবজি নয়, সবজির বীজ বেচার কাজ। বিএডিসির ২০২৬-২৭ দরে লাউয়ের বীজ কেজি ৳১,০৫০, টমেটো ৳২,৬০০, হাইব্রিড টমেটো ৳২৬,০০০ — আর বেচতে হলে ৳২,০০০ ফি দিয়ে বীজ ডিলার নিবন্ধন লাগে।
কৃষি ও খামারদশ-এগারো মাসের ফসল, আর পুঁজির সবচেয়ে বড় অংশ যায় বীজ আদা কিনতে — বিঘায় ৩৭৫–৪০০ কেজি, যা আজকের দরে ৳৪৫,০০০–৭০,০০০।
কৃষি ও খামারমুড়িকাটা ও হালি — দুই ফসলের পেঁয়াজ। আগস্ট ২০২৬-এ দেশী পেঁয়াজের পাইকারি জাতীয় গড় ৳৪১.৮২ কেজি, কিন্তু চৈত্র-বৈশাখের ভরা মৌসুমে কৃষক পেয়েছেন মণ ৳৭০০–১,১০০, অথচ খরচ মণে ৳১,৪০০–১,৬০০।
কৃষি ও খামারশীতে আলু লাগিয়ে ফাল্গুনে তোলা। আগস্ট ২০২৬-এ পাইকারি জাতীয় গড় দর দেশী আলু ৳২৯.৮০, হল্যান্ড ৳২০.৫৩–২০.৭১ কেজি, কিন্তু ভরা মৌসুমে খেতেই দর নেমেছিল ৳৩–৭; হিমাগারের ভাড়া এখন কেজিতে ৳৬।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপশু-পাখির ওষুধ বিক্রি ও চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসা করতে ভেটেরিনারি কাউন্সিলের নিবন্ধন লাগে, প্রতিষ্ঠানের জন্য কাউন্সিলের স্বীকৃতি, আর ওষুধ বিক্রির লাইসেন্স দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল ও ফ্রাই বিক্রির ছোট দোকান। রেস্তোরাঁর চেয়ে পুঁজি কম, কিন্তু লাইসেন্সের তালিকা হুবহু একই — ট্রেড, নিরাপদ খাদ্য, ফায়ার, পরিবেশ, ভ্যাট।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাফার্মেসিতে ওষুধ সরবরাহের পাইকারি ব্যবসা। ডিজিডিএ-র আলাদা লাইসেন্স লাগে — নতুন ৳১০,০০০, নবায়ন ৳৫,০০০, মেয়াদ দুই বছর; তবে ফার্মাসিস্ট রাখতে হয় না।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণশেরপুরের জিআই স্বীকৃত সুগন্ধি ধান ফলিয়ে ও ছাঁটিয়ে বিক্রি। ধান ৳২,২০০–২,৪০০ মণ, চাল অনলাইনে ৳১৪৫–১৫০ কেজি — জিআই থাকা সত্ত্বেও সাধারণ সুগন্ধি চালের চেয়ে দাম বেশি নয়।
ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপর্যটন এলাকায় ছোট রিসোর্ট বা কটেজ চালানো। ভরা মৌসুমে সাজেকে শতভাগ বুকিং, কিন্তু মৌসুম ছোট আর ২০২৫ সালে এক আগুনেই ৯৪টি রিসোর্ট-কটেজ পুড়ে গেছে।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকাঠের গুঁড়া ও কীটনাশক মিশিয়ে মশার কয়েল বানানোর কারখানা। বিএসটিআইয়ের বাধ্যতামূলক সনদ লাগে, আর আবাসিক এলাকায় পরিবেশের ছাড়পত্র মেলে না।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাবড়শি, ছিপ, রিল, জাল ও মাছের ওষুধের দোকান। ছিপ ৳৪৫৫–১,৫৫২, রিল ৳৬৪১–৬,৭০৫। কারেন্ট জাল ও চায়না দুয়ারি নিষিদ্ধ — রাখলে জব্দ ও মোবাইল কোর্ট।
খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকাচ্চি, তেহারি ও মোরগ পোলাও প্লেট ধরে বিক্রি। খরচের প্রায় পুরোটাই মাংস — এক ডেকচি শাহি মাটন কাচ্চির কাঁচামালেই ৳১৩,২৬৫–১৫,০৫৪ যায়।
হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপআসবাবের কারখানার ফেলে দেওয়া কাঠের টুকরা দিয়ে শিশুদের খেলনা বানানো। বিসিকের মেলায় কাঠের পণ্য ৳১০০ থেকে ৳৩,০০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাব্যাট, বল, জার্সি ও র্যাকেটের খুচরা দোকান। বাচ্চাদের ব্যাট ৳১০৯–৫১১, ইংলিশ উইলো ৳২,২৫০–৩,১৯০, ফুটবল ৳৪৮৪–১,২০০। স্কুল, ক্লাব আর টুর্নামেন্টের মৌসুমেই বিক্রি।
কৃষি ও খামারমাঠে ও চরে ঘাস খাইয়ে ভেড়া পালন। ২০২৬ সালের কোরবানির আগে জয়পুরহাটে এক খামারি ২৬টি ভেড়া বিক্রি করেছেন ৳২,৩০,০০০ টাকায় — গড়ে প্রতিটি প্রায় ৳৮,৮০০।