মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

দ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদনে ঢাকার স্বাধীন কফি শপের মালিকেরা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঢাকা

যা কাজ করেছে

একটি কফি শপে ঢালা ৮০ লাখ, আরেকটির দিনের বিক্রি ২,০০০ থেকে ৩০,০০০

বসুন্ধরার একটি কফি শপ দাঁড় করাতে খরচ প্রায় ৮০,০০,০০০ টাকা। আরেকটি দোকানে ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে দিনে বিক্রি ছিল ১,৫০০–২,০০০ টাকা, এখন ২০,০০০–৩০,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৮০ লাখ
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পটুয়াখালীর দুই তরুণ কেক উদ্যোক্তা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপটুয়াখালী

যা কাজ করেছে

৫,০০০ টাকা আর একটি ফেসবুক পেজ, এখন মাসে বিক্রি ১৬–২০ লাখ

২০১৯ সালে ৫,০০০ টাকায় ফেসবুক পেজ খুলে শুরু; প্রথম দিকে ঢাকা থেকে লঞ্চে কেক আনিয়ে বিক্রি। এখন পটুয়াখালী ও বরগুনায় ৪টি দোকান, ৩৫ জন কর্মী আর মাসে বিক্রি ১৬,০০,০০০–২০,০০,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৫ হাজার
২০১৯ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নওগাঁর একজন বিরিয়ানির হোটেল মালিক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণনওগাঁ

যা কাজ করেছে

ছয়জনের টিনের ঘর থেকে পাঁচতলা, দিনে ৭০০–৮০০ জনের খাবার

খাসির বিরিয়ানি প্লেট ২০০ টাকা, মুরগির পোলাও ও কাচ্চি ১৮০ টাকা; দুপুর-রাত মিলিয়ে দিনে খান ৭০০–৮০০ জন। ১৯৭৪ সালে ছয়জনের টিনের ঘরে শুরু, এখন পাঁচতলা ভবন আর ২৫ জন কর্মী।

১৯৭৪ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার একটি মিঠাইপল্লির কারিগরেরা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবগুড়া

যা কাজ করেছে

বাতাসা-কদমা কেজি ১৪০ টাকা, একজনের ব্যবসা ছড়িয়ে গেল পুরো গ্রামে

পাইকারিতে কদমা, চিনির হাতি-ঘোড়া আর বাতাসা কেজি ১৪০ টাকা, নিমকি ১৬০, জিলাপি ১২০ আর খই ৯০ টাকা। আশির দশকের শুরুতে একজনের মেলায় মিঠাই বেচা থেকে শুরু হয়ে বগুড়ার একটি গ্রাম এখন পুরোটাই মিঠাইপল্লি।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাঙামাটির একজন আখের রস বিক্রেতা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণরাঙ্গামাটি

যা কাজ করেছে

ধান ছেড়ে আখ, রাস্তার পাশে রস বেচে বছরে ৪ লাখ টাকা

একই আড়াই একর জমিতে ধান করে বছরে আসত প্রায় ৩০,০০০ টাকা, তাতে উৎপাদন খরচই ১৮,০০০। সেই জমির আখ নিজে মাড়িয়ে রস বিক্রি করে এখন দিনে ওঠে প্রায় ২,০০০ টাকা, ৯ মাসের মৌসুমে মুনাফা প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা।

২০১৭ সালে শুরু
মন্তব্য

স্বদেশ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে ঢাকার বায়তুল মোকাররম মার্কেটের একজন সিসি ক্যামেরা ব্যবসায়ী

ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঢাকা

যা কাজ করেছে

ক্যামেরার দাম ১৫ হাজার থেকে নেমে হাজার টাকায়, বেড়েছে বাসাবাড়ির ক্রেতা

ডিভিআরসহ চার ক্যামেরার সেটআপে ক্রেতার খরচ ২০–২২ হাজার টাকা, ঢাকার কাছাকাছি স্থাপনের ফি ৩০০–৫০০ টাকা; বছরে ৬–৭ লাখ ক্যামেরা বিক্রি হয়, প্রায় পুরোটাই আমদানি করা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার অনলাইনে ডাব সরবরাহ করা দুই তরুণ উদ্যোক্তা

ডিজিটাল ও বি২বি সেবাঢাকা

যা কাজ করেছে

৮ হাজার টাকার ১০০ ডাব থেকে মাসে ২৫ লাখ টাকার বিক্রি

কারওয়ান বাজার থেকে ৮ হাজার টাকায় ১০০টি ডাব কিনে শুরু; এখন মোট বিনিয়োগ প্রায় ১০ লাখ টাকা, ১২ জন কর্মী আর মাসে গড়ে ২৫ লাখ টাকার পণ্য বিক্রি।

পুঁজি
৳৮ হাজার
২০২২ সালে শুরু
মন্তব্য

জাগো নিউজের প্রতিবেদনে পটুয়াখালীর ডিজিটাল প্রিন্টিং প্রেসের মালিকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপটুয়াখালী

যা কাজ করেছে

১৫ দিনের সম্মেলনের কাজে একেকটি প্রেসের ৫ লাখ টাকার অর্ডার

২৩ বছর পর হওয়া জেলা সম্মেলনকে ঘিরে পটুয়াখালীর ১৩টির বেশি ডিজিটাল প্রেসে টানা ১৫ দিন কাজ চলে; একেকটি প্রেস প্রায় ৫ লাখ টাকার অর্ডার পায়, জেলায় মোট কাজ প্রায় অর্ধকোটি টাকার।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন নারী ফিজিওথেরাপিস্ট ও কেন্দ্র প্রতিষ্ঠাতা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঢাকা

যা কাজ করেছে

এক লাখ টাকার প্রথম চেষ্টা টেকেনি, দ্বিতীয়বার ড্রয়িংরুম থেকে শুরু করে ৩ হাজার বর্গফুট

২০০৯ সালে চাচার কাছ থেকে ধার করা ১ লাখ টাকায় প্রথম চেষ্টা টেকেনি। ২০১৩ সালে উত্তরার একটি ড্রয়িংরুমে দুজন কর্মী আর পুরোনো যন্ত্রপাতি নিয়ে ফের শুরু; কেন্দ্রটি ৫০০ বর্গফুট থেকে ৩ হাজার বর্গফুটে দাঁড়িয়েছে, কর্মী ২৩ জন।

পুঁজি
৳১ লাখ
২০০৯ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাঙ্গামাটির একজন নারী কটেজ উদ্যোক্তা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারাঙ্গামাটি

যা কাজ করেছে

৩০ হাজার টাকা ধার আর তিনটি মাচাং ঘরে শুরু, এখন পুঁজি প্রায় ৮ লাখ

এনজিওর চাকরি ছেড়ে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাপ্তাই হ্রদের পাশে তিনটি মাচাং ঘর নিয়ে শুরু, পুঁজি ছিল ধার করা ৩০ হাজার টাকা। পরে কৃষি ব্যাংকের ঋণে রাতযাপনের ঘর দাঁড়ায় সাতটিতে, পুঁজি প্রায় ৮ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳৩০ হাজার
২০২৪ সালে শুরু
মন্তব্য

দৈনিক সংগ্রামের প্রতিবেদনে গাইবান্ধার একজন মোটরসাইকেল মেকানিক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাগাইবান্ধা

যা কাজ করেছে

১৪ বছরে হাতেখড়ি, দুই বছর অন্যের গ্যারেজে — এখন নিজের দোকানে পাঁচ কর্মী, মাসে ১৫ হাজার

জন্ম থেকেই দুই পা অচল; ১৪ বছর বয়সে মোটরসাইকেল মেরামতের কাজ বেছে নিয়ে দুই বছর অন্যের গ্যারেজে শেখেন। এখন নিজের ওয়ার্কশপে পাঁচজন কর্মী, মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকা, সংসার সাতজনের।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের একজন জিম মালিক ও বডিবিল্ডিং কোচ

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচট্টগ্রাম

যা কাজ করেছে

শহরে চার শাখা, উপজেলায় দুটি যেখান থেকে কোনো আয় আসে না — নাম এসেছে কোচিং থেকে

২০০২ সালে বহদ্দারহাটে প্রথম জিম; এখন চট্টগ্রাম শহরে চারটি শাখা আর পটিয়া-চন্দনাইশে দুটি, যেগুলো থেকে কোনো আয় আসে না। প্রায় ৫০০ জন শরীরচর্চাকারী তৈরি হয়েছেন, প্রশিক্ষণে আছেন আরও অন্তত ১৫০ জন।

২০০২ সালে শুরু
মন্তব্য