মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার শেরপুরের একজন চা-দোকানি

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবগুড়া

যা কাজ করেছে

১০ হাজার টাকার ধার থেকে দিনে ১,২০০ কাপ চা

বাবার ধার করা ১০,০০০ টাকায় প্রায় ৩৫ বছর আগে শুরু হওয়া চায়ের দোকানে এখন দিনে ১,০০০–১,২০০ কাপ চা বিক্রি হয়, দাম কাপপ্রতি ৫ থেকে ৬০ টাকা; দোকানের আয়েই উঠেছে ৩৫ লাখ টাকার তিনতলা বাড়ি।

পুঁজি
৳১০ হাজার
মন্তব্য

আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ের একজন ঘরোয়া কেক প্রস্তুতকারক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণরাঙ্গামাটি

যা কাজ করেছে

২–৩ হাজার টাকার শুরু, কেক বিক্রিতে আয় লাখ টাকা ছাড়িয়েছে

২০২০ সালে ২,০০০–৩,০০০ টাকা খরচ করে ঘরে কেক বানানো শুরু; এ পর্যন্ত কেক বিক্রি করে আয় লাখ টাকার বেশি। মাসিক আয় বা কর্মীর সংখ্যা প্রতিবেদনে নেই।

পুঁজি
৳৩ হাজার
২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য

আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে বগুড়ার একজন আচার উদ্যোক্তা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণবগুড়া

যা কাজ করেছে

৩০০ টাকার আচারে শুরু, এখন মাসে আয় ৩–৪ লাখ

২০২০ সালে ৩০০ টাকা দিয়ে ঘরে আচার বানানো শুরু। এখন মাসে প্রায় ১০০ কেজি গরুর মাংসের আচার বিক্রি হয় কেজি ১,০০০ টাকায়, ব্যবসার পুঁজি ২০ লাখ, কর্মী ১৫ জন, মাসিক আয় ৩–৪ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳৩০০
২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চাঁদপুরের একজন অনলাইন খাবার বিক্রেতা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচাঁদপুর

যা কাজ করেছে

৯ হাজার টাকায় শুরু, এখন মাসে আয় ৫০–৬০ হাজার

২০২৩ সালে ৯,০০০ টাকায় ঘরের রান্না অনলাইনে বিক্রি শুরু, প্রথম দফাতেই লাভ ১৫,০০০ টাকা। এক পাউন্ড ভ্যানিলা কেক বানাতে খরচ ২৫০–৩০০ টাকা, বিক্রি ৫৫০ টাকায়; এখন মাসে আয় ৫০,০০০–৬০,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৯ হাজার
২০২৩ সালে শুরু
মন্তব্য

বাসসের প্রতিবেদনে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের একজন নেপিয়ার ঘাসচাষি

কৃষি ও খামারলালমনিরহাট

যা কাজ করেছে

ধান তুলে তিন বিঘায় নেপিয়ার ঘাস, বছরে আয় ২ লাখ টাকা

তিন বিঘা জমি ধান থেকে নেপিয়ার ঘাসে নিয়ে বছরে আয় ২,০০,০০০ টাকা। বছরে ৪–৫ বার কাটা যায়, একবার লাগালে ৪–৫ বছর ফলন থাকে, আর গরুর খাবারের খরচ কমেছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

মন্তব্য

প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিবেদনে নড়াইলের একজন নারী আদাচাষি

কৃষি ও খামারনড়াইল

যা কাজ করেছে

নিচু জমিতে ১০ হাজার বস্তায় আদা, সাড়ে ৬ লাখ খরচে ১৬–১৭ লাখের আশা

বাড়ির পাশের প্রায় দেড় একর নিচু জমিতে ১০,০০০ বস্তায় আদা, খরচ ৬,৫০,০০০ টাকা। ফসল ৯ মাসের; প্রতিবেদনের সময় তিনি ১৬–১৭ লাখ টাকার আদা বিক্রির আশা করছিলেন, বিক্রি তখনো হয়নি।

পুঁজি
৳৬.৫ লাখ
চলেছে
৯ মাস
মন্তব্য

বাসসের প্রতিবেদনে পটুয়াখালীর বাউফলের একজন গাছি

কৃষি ও খামারপটুয়াখালী

মিশ্র অভিজ্ঞতা

৩০–৩৫টি গাছ থেকে নেমে ১৬টি, দিনে রস ১৫–২০ লিটার থেকে ৪–৬ লিটার

আগে ৩০–৩৫টি খেজুরগাছ কেটে দিনে ১৫–২০ লিটার রস পেতেন, এখন ১৬টি গাছে ৪–৬ লিটার। রসের দাম লিটারে ৫০–৬০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০–১২০ টাকা হলেও পরিমাণ কমার ক্ষতি তাতে পোষায়নি।

মন্তব্য

দ্য ডেইলি স্টার বাংলার প্রতিবেদনে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর একজন সুপারিবাগান মালিক

কৃষি ও খামারকুড়িগ্রাম

মিশ্র অভিজ্ঞতা

ফলন ২৫–৩০ শতাংশ বেশি, তবু আয় ৮ লাখ থেকে নেমে আসছে ৪ লাখে

৫০০ সুপারিগাছ থেকে গত বছর আয় হয়েছিল প্রায় ৮,০০,০০০ টাকা। এবার গাছপ্রতি ফলন ২৫–৩০ শতাংশ বেশি হলেও পাইকারি দাম ৬০–৬৫ শতাংশ পড়ে যাওয়ায় তিনি সর্বোচ্চ ৪,০০,০০০ টাকা পাওয়ার আশা করছেন।

মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে যশোরের একজন সাবেক মুক্তাচাষি

কৃষি ও খামারযশোর

যা শিখেছি

৩ লাখ টাকার মুক্তা চাষ দুই বছরে বন্ধ, মুক্তা বিক্রিই হলো না

৩,০০,০০০ টাকায় মিঠাপানির মুক্তা চাষ শুরু; নিজের ও প্রশিক্ষণ নেওয়াদের মিলিয়ে প্রায় ১০০টি পুকুর চললেও ফলন খারাপ আর দেশে ক্রেতা না থাকায় দুই বছর পর প্রকল্প বন্ধ।

পুঁজি
৳৩ লাখ
মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে বান্দরবানের থানচির একজন কাজুবাদামচাষি

কৃষি ও খামারবান্দরবান

যা শিখেছি

গত বছরের ৩,২০০–৩,৭০০ টাকা মণের কাজুবাদাম এবার ১,৭০০ টাকা

থানচির এই চাষির প্রায় ২,০০০ কাজুগাছ থেকে এ মৌসুমে মিলেছে ২০ মণ, বিক্রি হয়েছে মণপ্রতি ১,৭০০ টাকায় — আগের বছর দর ছিল ৩,২০০ থেকে ৩,৭০০ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সাতক্ষীরার তালার একজন গ্রীষ্মকালীন টমেটোচাষি

কৃষি ও খামারসাতক্ষীরা

যা কাজ করেছে

বিঘায় খরচ ১.৫–১.৮ লাখ, বিক্রি সাড়ে ৩ লাখের বেশি

গ্রীষ্মকালীন টমেটোয় বিঘাপ্রতি খরচ ১,৫০,০০০–১,৮০,০০০ টাকা, বিক্রি সাড়ে ৩ লাখ টাকার বেশি, নিট লাভ ১.৫–২ লাখ টাকা। খেত থেকে পাইকারি দর কেজিপ্রতি ৬৫–৭০ টাকা, খুচরায় ১০০ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর একজন ক্যাপসিকামচাষি ও সমবায় সভাপতি

কৃষি ও খামারকুষ্টিয়া

যা কাজ করেছে

দুই বিঘা ক্যাপসিকামে ২.২ লাখ খরচে ৪ লাখ লাভ, পরের মৌসুমে নামলেন ৩০ চাষি

২০২৪ সালে দুই বিঘায় ইন্দ্রা গোল্ড জাতের ক্যাপসিকাম, খরচ ২,২০,০০০ টাকা আর লাভ প্রায় ৪,০০,০০০ টাকা। তা দেখে পরের মৌসুমে গ্রামের ৩০ জন চাষি মিলে ১০ বিঘায় প্রায় ১০,০০,০০০ টাকা লগ্নি করেছেন।

পুঁজি
৳২.২ লাখ
২০২৪ সালে শুরু
মন্তব্য