মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

দৈনিক আমার বাংলাদেশের প্রতিবেদনে রাজবাড়ীর একজন মুদিদোকানি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসারাজবাড়ী

মিশ্র অভিজ্ঞতা

বাকির খাতায় আটকে গেছে পুঁজি, দোকানে নতুন মাল তোলা যাচ্ছে না

স্কুলের পাশের মুদিদোকান থেকে বাকিতে মাল যায়, টাকা ফেরত আসে না। পুঁজি আটকে যাওয়ায় দোকানে নতুন মাল তুলতেই কষ্ট হচ্ছে।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের একজন মুদিদোকানি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাসিরাজগঞ্জ

যা শিখেছি

ভোররাতের আগুনে পুড়ে গেল দোকান, ব্যবসায়ীর হিসাবে ক্ষতি ১৫–২০ লাখ

শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে এক মুদিদোকানের সব মালামাল পুড়ে যায়; দোকানির হিসাবে ক্ষতি ১৫–২০ লাখ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঝিনাইদহের এক কিশোর দোকানি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাঝিনাইদহ

মিশ্র অভিজ্ঞতা

পনেরো বছরের দোকানি, মাসে ৪–৫ হাজার টাকায় নিজের পড়ার খরচ

হাঁটতে না পারা এক কিশোরের গ্রামের মুদিদোকান মাসে ৪,০০০–৫,০০০ টাকা দেয়, তাতেই চলে তার পড়াশোনার খরচ ও সংসারের কিছুটা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের হাওরপারের একজন দোকানি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামৌলভীবাজার

যা কাজ করেছে

এনজিওর ২০ হাজার টাকায় ঘরের দোকান, মাসে ৫–৬ হাজার আয়

হাওরপারে নিজের ঘরের এক অংশে মুদিদোকান। এনজিওর ২০,০০০ টাকা ঋণ দিয়ে শুরু, চার বছর ধরে চলছে, মাসে আয় ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳২০ হাজার
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার হোসিয়ারি কারখানার মালিক ও ব্যবস্থাপকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাবনা

যা শিখেছি

স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ, ৪০০ কর্মীর কারখানা বন্ধ করে দেনায় ডুবলেন মালিক

ব্যাংকঋণে গড়া ৪০০ কর্মীর হোসিয়ারি কারখানা ভারতে স্থলপথে রপ্তানি বন্ধ হওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়। জেলার প্রায় ৩,০০০ ইউনিটে কাজ করা এক লাখের বেশি শ্রমিকের প্রায় ৬৫ শতাংশই এখন কর্মহীন।

মন্তব্য

দৈনিক চাঁদপুর খবরের প্রতিবেদনে চাঁদপুরের বরফকলের মালিক ও ব্যবস্থাপকেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপচাঁদপুর

যা শিখেছি

৩৩টি বরফকলের মধ্যে চালু ২টি, শীতের পাঁচ মাস স্রেফ লোকসান

চাঁদপুরে একসময় ৩৩টি বরফকল চলত, প্রতিবেদনের সময় চালু ছিল মাত্র ২টি। ক্যানপ্রতি পাইকারি দাম ১৬০ টাকা, আর শীতের টানা পাঁচ মাস চাহিদাই থাকে না।

মন্তব্য

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে শেরপুরের নকলার একজন প্লাস্টিক রিসাইক্লিং কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপশেরপুর

যা কাজ করেছে

দেড় লাখ টাকার যন্ত্রে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক, মাসে ১০–১৫ টন ফ্লেক

২০০৬ সালে ১,৫০,০০০ টাকার যন্ত্র কিনে শুরু। এখন মাসে ১০–১৫ টন প্লাস্টিক ফ্লেক তৈরি হয়, মালিকের হিসাবে আয় মাসে ১–১.৫ লাখ টাকা, নিয়মিত কর্মী ২০ জন।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ
২০০৬ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে গাইবান্ধার একজন খাতা ও কাগজের কলম প্রস্তুতকারক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপগাইবান্ধা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কলমে লাভ ৪ টাকা, খাতায় ৫ — ১০ হাজারের বিক্রিতে হাতে থাকে ৩–৪ হাজার

২০২৩ সালের মার্চে খাতা বানানো শুরু, নভেম্বরে কাগজের কলম। এখন মাসে ৯,০০০–১০,০০০ টাকার বিক্রি, ৫০০ টাকার দোকানভাড়া ও অন্যান্য খরচ বাদে হাতে থাকে ৩,০০০–৪,০০০ টাকা।

২০২৩ সালে শুরু
মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে মুন্সিগঞ্জের কাগজীপাড়ার ঠোঙা কারিগরেরা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপমুন্সীগঞ্জ

যা শিখেছি

সাড়ে ৭ হাজারের ব্যাচে লাভ ২,৩০০ টাকা, ঠোঙার গ্রামে পরিবার ৫৫০ থেকে নেমে ৩৫

৬০ কেজি কাগজে ওঠে ৭০ কেজি ঠোঙা — খরচ ৭,৫০০ টাকা, বিক্রি ৯,৮০০ টাকা, লাভ ২,৩০০। পলিথিন ফিরে আসায় মিরকাদিমের কাগজীপাড়ায় ঠোঙার পরিবার ৫৫০-এর বেশি থেকে নেমে ৩০–৩৫টি।

মন্তব্য

সমকালের প্রতিবেদনে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার একজন ঠোঙা প্রস্তুতকারক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপফরিদপুর

যা কাজ করেছে

ঘরের কাজের ফাঁকে দিনে ২০ কেজি ঠোঙা, আয় অন্তত ৩০০ টাকা

আলফাডাঙ্গার বাকাইল গ্রামে পুরোনো কাগজ কিনে ঠোঙা বানানো হয়; মজুরি কেজিতে ১০–২০ টাকা। একজন দিনে ২০ কেজি পর্যন্ত বানিয়ে অন্তত ৩০০ টাকা পান, পুঁজি বা দোকান কিছুই লাগে না।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুর সদরের একজন আসবাব কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপশেরপুর

যা কাজ করেছে

অন্যের কারখানার মিস্ত্রি থেকে মালিক, ব্যবসায় লগ্নি এখন ২৫ লাখ টাকা

শেরপুর সদরের সাত গ্রামে গড়ে ওঠা প্রায় ৩০০ আসবাব কারখানার একটির মালিক আগে অন্যের কারখানায় মিস্ত্রি ছিলেন; এখন ব্যবসায় তাঁর লগ্নি ২৫ লাখ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বগুড়ার তালোড়ার একজন অ্যালুমিনিয়াম কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপবগুড়া

যা শিখেছি

গ্যাস সংযোগ মেলেনি, ৩০ শতাংশ বেশি খরচেই বন্ধ হলো মাসে ২১ হাজার কেজির কারখানা

মাসে গড়ে ২১,০০০ কেজি অ্যালুমিনিয়ামের বাসন বানানো কারখানাটি ২০১৫ সালের দিকে বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস সংযোগ না পাওয়ায় উৎপাদন খরচ ছিল গ্যাসচালিত কারখানার চেয়ে ৩০ শতাংশের বেশি।

মন্তব্য