মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের নাজিরারটেকের একজন শুঁটকিমহাল মালিক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকক্সবাজার

যা শিখেছি

গত বছর ৫০০ টন, এবার ২০০ টনও হবে না

নাজিরারটেকের এই শুঁটকিমহালে গত বছর প্রায় ৫০০ মেট্রিক টন শুঁটকি হয়েছিল, এবার ২০০ টনও হবে না। উপকূলে মাছ না থাকায় প্রায় ৭০০টির মধ্যে ৬০০টি মহালেই উৎপাদন বন্ধ।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার বছিলার বালাচাও প্রস্তুতকারক এক দম্পতি

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঢাকা

যা কাজ করেছে

কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকার খরচ, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকায়

২০২১ সালে ঘরে শুঁটকি চিংড়ির বালাচাও বানানো শুরু; দিনে ১৫–২০ কেজি, খরচ কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকা, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকা। মাসিক বিক্রি গত বছরের গড় ৩ লাখ থেকে এখন ৬–৭ লাখ টাকা।

২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার একজন মধু সংগ্রহকারী উদ্যোক্তা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসিরাজগঞ্জ

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কুয়াশায় মৌমাছি বের হয়নি, প্রতি বাক্সে দাম কমল ২ হাজার টাকা

১৫০টি বাক্স থেকে স্বাভাবিক সপ্তাহে ১০ মণ, প্রায় ৮০০ কেজি মধু ওঠে, দাম ১,৩০,০০০ টাকা। কুয়াশা আর ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রায় মৌমাছি বাক্সেই আটকে থাকায় ১০,০০০ টাকার বাক্সের দাম কমেছে প্রায় ২,০০০ টাকা।

মন্তব্য

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে যশোরের শার্শার একজন বাণিজ্যিক মৌচাষি

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণযশোর

যা কাজ করেছে

২৫০ বাক্সের মৌচাষে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ

২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিক মৌচাষ; প্রায় ২৫০টি বাক্স, প্রতি কলোনি থেকে সাত দিনে প্রায় ২ কেজি মধু, বিক্রি ৮০০–১,০০০ টাকা কেজি। সব খরচ বাদে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা।

২০০৭ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের একজন আখচাষি ও গুড় প্রস্তুতকারক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণমৌলভীবাজার

মিশ্র অভিজ্ঞতা

৫৫ হাজার খরচে আড়াই লাখের বিক্রি, তবু লোক পাওয়া যায় না

এ মৌসুমে ৩ কিয়ার আখে খরচ প্রায় ৫৫,০০০ টাকা, বিক্রি হয়েছে প্রায় ১,০০,০০০ টাকার, আরও দেড় লাখের আশা। রস ৬০ টাকা লিটার, গুড় ২৫০ আর লালি ২২০ টাকা কেজি; সমস্যা দামে নয়, শ্রমিকে।

পুঁজি
৳৫৫ হাজার
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে খুলনার কয়রার একজন মিষ্টির দোকানি

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণখুলনা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

ঘূর্ণিঝড় আর নদীভাঙনের পর ৬০ হাজার টাকার ঋণে আবার মিষ্টির দোকান

২০২০ সালের ২০ মে আম্পানে দোকান ও ঘর ভাঙে, পরে কপোতাক্ষের ভাঙনে ভিটেমাটিও যায়। গত বছর ৬০,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে ছোট মিষ্টির দোকান আবার চালু, মাসে কিস্তি ৩,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৬০ হাজার
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের রাউজানের একজন প্যাড়া ও ঘি প্রস্তুতকারক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচট্টগ্রাম

যা কাজ করেছে

সাইনবোর্ডহীন এক মানুষের দোকান, দিনে ১২–১৫ কেজি প্যাড়া

১২ কেজি দুধ আর আড়াই কেজি চিনিতে হয় ৪ কেজি ২৫০ গ্রাম প্যাড়া, বিক্রি ৫০০ টাকা কেজি। মাখন ১,৮০০ আর ঘি ২,৮০০ টাকা কেজি; সব খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৩৫,০০০ টাকা।

১৯৯০ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঠাকুরগাঁওয়ের একজন পনির উৎপাদক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঠাকুরগাঁও

যা কাজ করেছে

দিনে ২৭ লিটার দুধ থেকে ২,২০০ লিটার, কর্মী ১০০-র বেশি

২০১২ সালে দিনে ২৭ লিটার দুধ দিয়ে পনির বানানো শুরু; এখন মূল কারখানায় দিনে ২,২০০ লিটার, আরও দুই কারখানায় ২,৫০০ লিটার। ১০০-র বেশি কর্মীর বেতন ৪,৫০০–৫,০০০ টাকা, মালিকের হাতে থাকে মাসে ৬০,০০০–৭০,০০০ টাকা।

২০১২ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কক্সবাজারের চকরিয়ার একজন দই ব্যবসায়ী

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকক্সবাজার

যা কাজ করেছে

১ লাখ ৩০ হাজারে শুরু দইয়ের দোকান, পুঁজি এখন ১০ লাখ

১,৩০,০০০ টাকায় শুরু মহিষের দইয়ের ব্যবসার পুঁজি এখন ১০,০০,০০০ টাকা। দুই বছর আগে ৫,০০,০০০ টাকায় চারটি মহিষ কেনার পর নিজের দুধেই দই হয়; এলাকার ১২–১৫টি দোকানে দিনে প্রায় ১,০০০ হাঁড়ি বিক্রি।

পুঁজি
৳১.৩ লাখ
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সুনামগঞ্জের একজন ঘানি-মালিক তেল উৎপাদক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসুনামগঞ্জ

যা কাজ করেছে

৭৫–৮০ টাকার সরিষা, ৩০০–৩৫০ টাকার তেল; মাসে থাকে ৩০–৪০ হাজার

ঘোড়ায় টানা কাঠের ঘানিতে সরিষার তেল। কেজি ৭৫–৮০ টাকায় বছরে ৩–৩.৫ লাখ টাকার সরিষা কেনা হয়, তেল বিক্রি ৩০০–৩৫০ টাকা কেজি; সব খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা।

১৯৮০ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিলেটের একজন ভাপা পিঠা বিক্রেতা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসিলেট

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কাপড়ের ব্যবসা ছেড়ে ভাপা পিঠার ঠেলা, দিনে থাকে ৫০০–৬০০ টাকা

বারবার মাল তোলার পুঁজি না থাকায় কাপড়ের ব্যবসা ছেড়ে ভাপা পিঠার ঠেলা। দিনে ৬–৭ কেজি চালের গুঁড়া, কেজিতে ২৫–২৬টি পিঠা, প্রতিটি ১০ টাকা; খরচ বাদে দিনে থাকে ৫০০–৬০০ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার একজন অনলাইন মসলা বিক্রেতা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচট্টগ্রাম

যা কাজ করেছে

মাটির ব্যাংকের ৮ হাজার টাকা থেকে মাসে লাখ টাকার মসলা

২০২০ সালে জমানো ৮,০০০ টাকায় অনলাইনে গুঁড়া মসলা বিক্রি শুরু; এখন মাসে বিক্রি প্রায় ১,০০,০০০ টাকা, মোট বিক্রি প্রায় ৪০ লাখ, নিয়মিত ক্রেতা ৫০০-র বেশি। এলাকায় কুরিয়ার না থাকায় পার্সেল পাঠাতে শহরে যেতে হয়।

পুঁজি
৳৮ হাজার
২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য