মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রাজশাহীর একজন দোকানি

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবারাজশাহী

যা কাজ করেছে

সাড়ে ছয় লাখের দোকান, মাসে ২০ হাজার ভাড়া

কম্পিউটার কম্পোজ ও ফটোকপির দোকান দাঁড় করাতে খরচ ৬,৩০,০০০ টাকা; দোকান ভাড়া মাসে ২০,০০০।

পুঁজি
৳৬.৩ লাখ
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন চাবিওয়ালা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঢাকা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

দিনে ৬০০–৭০০ থেকে নেমে ২০০–২৫০, ভাড়া তিন হাজার

চাবি বানানোর কাজ আগে দিনে ৬০০–৭০০ টাকা দিত; এখন ২০০–২৫০। দোকানভাড়া মাসে ৩,০০০ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঝালকাঠির একজন নারী মুচি

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঝালকাঠি

যা কাজ করেছে

ফুটপাতে ১২ বছর সেলাইয়ের পর এক লাখ টাকায় নিজের জুতার দোকান

ঝালকাঠির এই নারী ১২ বছর ফুটপাতে বসে জুতা সেলাই করেছেন। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী প্রায় ১ লাখ টাকা দিয়ে দোকানঘর তুলে নতুন জুতা-স্যান্ডেল তুলে দেন; দোকান চালু হয় ২০২০ সালের ৫ আগস্ট।

পুঁজি
৳১ লাখ
মন্তব্য

দৈনিক জনকণ্ঠের প্রতিবেদনে পাবনার একজন মুচি

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপাবনা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কাজপ্রতি ২৫ পয়সা থেকে ১০ টাকা, ৪০ বছরে ছেলেকে মাস্টার্স

শুরুর দিকে প্রতি কাজে মিলত ২৫ পয়সা থেকে ২ টাকা; ৪০ বছর পর সর্বনিম্ন মজুরি ১০ টাকা। এই আয়েই ছেলেকে মাস্টার্স পড়িয়েছেন, মেয়েদের পড়িয়ে বিয়ে দিয়েছেন।

মন্তব্য

আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে ভোলার একজন মুচি

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাভোলা

যা শিখেছি

কোনো দিন ৫০ টাকা, কোনো দিন কিছুই নয় — ৬৭ বছরের জুতা সেলাই

নয় বছর বয়স থেকে জুতা সেলাই করছেন, এখন বয়স ৭৬। দিনের আয় ৫০ থেকে ১৮০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে, শীতে ২০০–৩০০; বয়স্ক ভাতা মেলে তিন মাসে ১,৬৫০ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নীলফামারীর একজন মাইক ভাড়ার ব্যবসায়ী

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবানীলফামারী

যা শিখেছি

তিন মাসে আয় ৩০০ টাকাও নয়, অলস পড়ে রইল মাইকের যন্ত্রপাতি

করোনার বিধিনিষেধে বিয়ে ও সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় তিন মাসে এই মাইক ভাড়ার ব্যবসায় ৩০০ টাকাও আয় হয়নি। সৈয়দপুরে এমন ছোট ব্যবসা শতাধিক।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের একজন এসি-ফ্রিজ মেরামতকারী

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাদিনাজপুর

যা কাজ করেছে

দিনে ৩০০–৪০০ টাকা থেকে মাসে প্রায় লাখ টাকা, সঙ্গে ছয় কর্মী

তিন বছর আগেও দৈনিক আয় ছিল ৩০০–৪০০ টাকা। এসি ও ফ্রিজ সার্ভিসিংয়ের ছয় মাসের প্রশিক্ষণের পর এখন নিজের ব্যবসা, ছয়জন কর্মী, মাসে আয় প্রায় এক লাখ টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে যশোরের একজন তরুণ মেরামতকারী

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাযশোর

যা কাজ করেছে

ছয় মাসের প্রশিক্ষণের পর নিজের মেরামতের দোকান, মাসে প্রায় ৪০ হাজার

বাবার মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন বেকার ছিলেন। ২০২৩ সালে ইলেকট্রিক কাজের ছয় মাসের হাতেকলমে প্রশিক্ষণ নিয়ে দোকান দেন; এখন মাসে আয় প্রায় ৪০ হাজার টাকা, কর্মচারী দুজন।

২০২৩ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার একজন ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দর

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপাবনা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

চুল আর দাড়ি ৩০ টাকায়, ভ্রাম্যমাণ নরসুন্দরের দিনে ২৫০–৩০০

সেলুনে যে কাজে কমপক্ষে ৬০ টাকা লাগে, রাস্তার পাশে তা হয় ৩০ টাকায় — চুল কাটা ২০, দাড়ি ১০। দিনে আয় ২৫০–৩০০ টাকা, তাতেই ছয়জনের সংসার।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে সিলেটের একজন সাবেক সেলুন মালিক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাসিলেট

যা শিখেছি

লকডাউনে সেলুন বন্ধ, এখন সবজির ভ্যানে দিনে ৪০০–৫০০ টাকা

কর্মচারী নিয়ে চালানো সেলুনটি করোনার লকডাউনে বন্ধ হয়ে যায়। এখন সবজির ভ্যানে দিনে ২,০০০–২,৫০০ টাকার মাল কিনে লাভ থাকে ৪০০–৫০০ টাকা; আবার সেলুন করতে দরকার ৭০–৮০ হাজার টাকা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে খুলনার একজন নরসুন্দর

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাখুলনা

যা শিখেছি

দোকান ভাঙার পর ফুটপাতে, আয় অর্ধেকেরও নিচে

ড্রেনের ওপর টিনের দোকানে দিনে ৭০০–৮০০ টাকা আসত। পৌরসভা দোকান ভেঙে দেওয়ার পর খোলা ফুটপাতে কাজ, চুল কাটা ৫০–৬০ টাকা।

১৯৭৫ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার সাঁথিয়ার পেঁয়াজ আড়তদার ও ব্যবসায়ীরা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাপাবনা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

মণে দাম ৫ হাজার ছাড়াল, অথচ আড়তে পেঁয়াজই নেই

সাঁথিয়ায় দশ দিনে পেঁয়াজের দাম মণে ৩,২০০–৩,৪০০ থেকে ৫,০০০–৫,৪০০ টাকায় ওঠে, কিন্তু সরবরাহ বন্ধ — ১০ ট্রাকের হাটে এল আধা ট্রাক।

মন্তব্য