মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার সাঁথিয়ার কচুরিপানার হস্তশিল্পের একজন উদ্যোক্তা দম্পতি

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপপাবনা

যা কাজ করেছে

দিনে ৫০–৬০ মণ কচুরিপানা, খরচ বাদে মাসে ৩০–৪০ হাজার টাকা

ঢাকার এক ক্রেতার কাছে কচুরিপানার পণ্য দেখে ২০২০ সালে শুরু। এখন দিনে ৫০–৬০ মণ কাঁচা কচুরিপানা কেনা হয় মণপ্রতি ১০০–১২০ টাকায়; খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৪০,০০০ টাকা, কাজ করেন ৬০–৭০ জন।

২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের খানসামার একজন কুটিরশিল্প উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদিনাজপুর

যা কাজ করেছে

ভ্যানে ফেরি করে শুরু, এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার পণ্য

২০১৬ সালের ৩১ অক্টোবর ভ্যানে পণ্য ফেরি করে শুরু। এখন মাসে ৩০–৩৫ লাখ টাকার হোগলা-পাট-সুতলির পণ্য তৈরি হয়, লাভ ২ লাখ টাকার বেশি, স্থায়ী কর্মী ৫৪ জন আর চুক্তিভিত্তিক ২৫০-এর বেশি।

২০১৬ সালে শুরু
মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড বাংলার প্রতিবেদনে যশোরের একজন নকশি কাঁথা উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপযশোর

যা কাজ করেছে

১০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে ৫০ লাখের বিক্রি, সেলাই করেন ৫ হাজার জন

২০১১ সালে ১০,০০০ টাকা নিয়ে নকশি কাঁথার কাজ শুরু; এখন মাসে বিক্রি ৪–৫ লাখ, বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা, আর সেলাই করেন ৫,০০০-এর বেশি মানুষ। একই প্রতিবেদনে ২০ বছরের এক কারিগরের মাসিক আয় ৩,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳১০ হাজার
২০১১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে রংপুরের একজন হাতের কাজের উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপরংপুর

যা কাজ করেছে

আড়াই লাখের অর্ডার বাতিল, ৪৫ হাজার টাকা লোকসানের পর মাসে ৩–৪ লাখের বিক্রি

২০২১ সালে ১০,০০০ টাকার কাপড়-সুতা দিয়ে শুরু। আত্মীয়ের মাধ্যমে কেনা নিম্নমানের কাপড়ে আড়াই লাখ টাকার বিদেশি অর্ডার বাতিল হয়, লোকসান প্রায় ৪৫,০০০ টাকা; নিজে মাল কেনা শুরু করার পর এখন মাসে বিক্রি ৩–৪ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳১০ হাজার
২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুরের একজন পোশাক কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপশেরপুর

যা কাজ করেছে

১০ টাকা পুঁজির দরজি এখন ২০০ জনের কারখানার মালিক

হাতে ১০ টাকা আর কিস্তিতে কেনা একটি সেলাই মেশিন দিয়ে শুরু। ১৯৯৮ সালে প্রশিক্ষণ আর ২৫,০০০ টাকা ঋণ নিয়ে সেলাই প্রশিক্ষণকেন্দ্র, এখন বিনিয়োগ প্রায় ৫০ লাখ টাকা, কর্মী ২০০ জন, নিজের আয় মাসে প্রায় ১ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳১০
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে কিশোরগঞ্জের ৪২ বছরের এক চানাচুর ফেরিওয়ালা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণকিশোরগঞ্জ

যা কাজ করেছে

১২০ টাকার টিন-হাঁড়িতে শুরু, ৪২ বছরে জমি, বাড়ি আর দুই সন্তানের মাস্টার্স

দিনে ১৫ টাকার দিনমজুরি থেকে ২–৩ টাকা করে জমিয়ে ১২০ টাকা — ৩০ টাকার টিন, ৭০ টাকার হাঁড়ি আর ২০ টাকার মালে শুরু। ৪২ বছরে শহরে ৩ শতক জমি, বাড়ি আর দুই সন্তানের মাস্টার্স।

পুঁজি
৳১২০
মন্তব্য

সমকালের প্রতিবেদনে পাবনার ঈশ্বরদীর একজন মুড়ি ভাজার কারিগর

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণপাবনা

যা কাজ করেছে

যন্ত্রের মুড়ি ৬০–৭০ টাকা, রাসায়নিকমুক্ত মুড়ি ১৬০–২০০ টাকা

ঢেঁকিছাঁটা চালে লবণ আর পানি দিয়ে ভাজা রাসায়নিকমুক্ত মুড়ি স্থানীয়ভাবে ১৬০ টাকা আর ঢাকা-চট্টগ্রামের সুপারশপে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়, যেখানে যন্ত্রে ভাজা প্যাকেট মুড়ি ৬০–৭০ টাকা। একজন কারিগরের মাসিক আয় ১৫,০০০ টাকা।

মন্তব্য

সময়ের আলোর প্রতিবেদনে জামালপুরের একজন খাবার হোটেল মালিক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণজামালপুর

যা কাজ করেছে

চাকরির পাশে খাবার হোটেল, দিনে বিক্রি ৮–৯ হাজার টাকা

২০২২ সালে ৩,৫০,০০০ টাকায় জমি কিনে খাবার হোটেল চালু; এখন দিনে বিক্রি ৮,০০০–৯,০০০ টাকা। নিট লাভ বা কর্মীর সংখ্যা প্রতিবেদনে নেই।

পুঁজি
৳৩.৫ লাখ
২০২২ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুজন শুকনা আম উদ্যোক্তা

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচাঁপাইনবাবগঞ্জ

যা কাজ করেছে

এক মণ আমে ৪ কেজি শুকনা আম, বিক্রি ২,০০০–২,৪০০ টাকা কেজি

প্রথম মৌসুমেই দুই উদ্যোক্তা ৭০০ কেজি ও ৩০০ কেজি শুকনা আম বানিয়ে পুরোটাই বিক্রি করেছেন — দাম কেজি ২,৪০০ ও ২,০০০ টাকা। এক মণ পাকা আম থেকে হয় মাত্র ৪ কেজির মতো শুকনা আম।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার বছিলার বালাচাও প্রস্তুতকারক এক দম্পতি

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণঢাকা

যা কাজ করেছে

কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকার খরচ, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকায়

২০২১ সালে ঘরে শুঁটকি চিংড়ির বালাচাও বানানো শুরু; দিনে ১৫–২০ কেজি, খরচ কেজিতে ৮০০–১,০০০ টাকা, বিক্রি ১,২০০–১,৬০০ টাকা। মাসিক বিক্রি গত বছরের গড় ৩ লাখ থেকে এখন ৬–৭ লাখ টাকা।

২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

বাংলা ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে যশোরের শার্শার একজন বাণিজ্যিক মৌচাষি

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণযশোর

যা কাজ করেছে

২৫০ বাক্সের মৌচাষে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ

২০০৭ সাল থেকে বাণিজ্যিক মৌচাষ; প্রায় ২৫০টি বাক্স, প্রতি কলোনি থেকে সাত দিনে প্রায় ২ কেজি মধু, বিক্রি ৮০০–১,০০০ টাকা কেজি। সব খরচ বাদে বছরে আয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা।

২০০৭ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের রাউজানের একজন প্যাড়া ও ঘি প্রস্তুতকারক

খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণচট্টগ্রাম

যা কাজ করেছে

সাইনবোর্ডহীন এক মানুষের দোকান, দিনে ১২–১৫ কেজি প্যাড়া

১২ কেজি দুধ আর আড়াই কেজি চিনিতে হয় ৪ কেজি ২৫০ গ্রাম প্যাড়া, বিক্রি ৫০০ টাকা কেজি। মাখন ১,৮০০ আর ঘি ২,৮০০ টাকা কেজি; সব খরচ বাদে মাসে থাকে ৩০,০০০–৩৫,০০০ টাকা।

১৯৯০ সালে শুরু
মন্তব্য