মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে চট্টগ্রামের একজন জিম মালিক ও বডিবিল্ডিং কোচ

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচট্টগ্রাম

যা কাজ করেছে

শহরে চার শাখা, উপজেলায় দুটি যেখান থেকে কোনো আয় আসে না — নাম এসেছে কোচিং থেকে

২০০২ সালে বহদ্দারহাটে প্রথম জিম; এখন চট্টগ্রাম শহরে চারটি শাখা আর পটিয়া-চন্দনাইশে দুটি, যেগুলো থেকে কোনো আয় আসে না। প্রায় ৫০০ জন শরীরচর্চাকারী তৈরি হয়েছেন, প্রশিক্ষণে আছেন আরও অন্তত ১৫০ জন।

২০০২ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন ছবির স্টুডিও মালিক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঢাকা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

শ্যামলী থেকে নিউমার্কেট — ১২-১৫টি ল্যাব থেকে টিকে আছে ৪-৫টি, এক ঘরে ছবি অন্য ঘরে ক্রোকারিজ

২০০০ সালের দিকে শ্যামলী থেকে নিউমার্কেট পর্যন্ত ছিল ১২-১৫টি স্টুডিও ল্যাব, এখন ৪-৫টি। ৩৫ বছরের পুরোনো এই প্রতিষ্ঠান ব্যবসা গুটিয়ে এক ঘরে এনেছে, অন্য ঘরে বিক্রি হয় ক্রোকারিজ।

মন্তব্য

চাঁদপুর টাইমসের প্রতিবেদনে চাঁদপুরের একজন স্টুডিও মালিক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাচাঁদপুর

মিশ্র অভিজ্ঞতা

শহরের ১৬টি স্টুডিওর ৮টিই বন্ধ, টিকে থাকাগুলোয় এখন কেবল পাসপোর্টের ছবি

ঈদ, পূজা, বিয়ে আর বৈশাখে দল বেঁধে ছবি তোলার দিন শেষ। চাঁদপুর শহরের ৮টি স্টুডিও বন্ধ হয়ে গেছে, ৮টি টিকে আছে; ৮০-৯০ হাজার টাকায় কেনা ক্যামেরা পড়ে আছে অব্যবহৃত।

১৯৯৮ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুরের একজন নারী বুটিক ও প্রশিক্ষণ উদ্যোক্তা

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাশেরপুর

যা কাজ করেছে

১০ টাকা পুঁজির দরজি থেকে ৫০ লাখের প্রতিষ্ঠান, কাজ করেন ২০০ জন

১০ টাকা পুঁজি নিয়ে দরজির কাজ শুরু; ১৯৯৮ সালে প্রশিক্ষণকেন্দ্র খুলে যুব উন্নয়ন থেকে ২৫ হাজার টাকার ঋণ নেন। এখন বিনিয়োগ প্রায় ৫০ লাখ টাকা, কর্মী ২০০ জন, খরচ বাদে মাসে আয় প্রায় লাখ টাকা।

পুঁজি
৳১০
১৯৯৮ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন নারী স্কুটি প্রশিক্ষক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঢাকা

যা কাজ করেছে

জনপ্রতি ৫ হাজার টাকায় মাসে ২০-২৫ জন — স্কুটি শেখানো থেকেই মাসে লাখ টাকা

নারীদের স্কুটি চালানো শেখান, ফি জনপ্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা। মাসে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী নেন, প্রতিবেদনের হিসাবে আয় প্রায় এক লাখ টাকা।

২০১৯ সালে শুরু
মন্তব্য

খুলনা গেজেটের প্রতিবেদনে খুলনার একজন কিন্ডারগার্টেন মালিক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাখুলনা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

তিন বছরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আসেনি, ঋণ করে খোলা স্কুল — পরের ধাপ ভিটে বিক্রি

করোনার আগে স্কুলটি সুনামের সঙ্গে লাভেই চলছিল। দীর্ঘ বন্ধের পর টানা তিন বছর শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন আসেনি; ঋণ করে স্কুল খোলা রাখা হয়েছে, আর ঋণ শোধে ভিটেমাটি বিক্রির আশঙ্কা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন কিন্ডারগার্টেন পরিচালক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাঢাকা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

২৩৫ শিক্ষার্থী থেকে নেমে দেড়শ, স্কুলের পাশে বসেছে ফলের দোকান

করোনার আগে স্কুলে শিক্ষার্থী ছিল ২৩৫ জন; দীর্ঘ বন্ধের পর নতুন ভর্তি হয়েছে প্রায় ৬০ জন, খাতায় আছে প্রায় ১৫০। স্কুল টিকিয়ে রাখতে পাশে ফলের দোকান আর একটি শ্রেণিকক্ষে পোশাকের অনলাইন বিক্রি।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পাবনার একজন কিন্ডারগার্টেন পরিচালক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপাবনা

যা শিখেছি

ভাড়া মেটাতে বিক্রি হলো স্কুলের আসবাব, তবু বন্ধ — কাজ হারালেন ১৬ জন

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পরও প্রায় এক বছর স্কুলটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলে। শিক্ষার্থীদের বেতন না আসায় ভবনভাড়া মেটাতে আসবাব বিক্রি করতে হয়; শেষে স্কুল বন্ধ, ১৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী কাজহারা।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মানিকগঞ্জের একজন কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবামানিকগঞ্জ

মিশ্র অভিজ্ঞতা

কিন্ডারগার্টেন বন্ধ, বেতনও বন্ধ — এখন বাড়িতে পড়ান মাত্র দুজনকে

মানিকগঞ্জ শহরের কিন্ডারগার্টেনটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই শিক্ষকের বেতন একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়। এখন নিজের বাড়িতে দুজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়ে কোনোমতে দিন চলে।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে পঞ্চগড়ের একজন স্কুলশিক্ষক

ঘরোয়া ও স্থানীয় সেবাপঞ্চগড়

যা শিখেছি

স্কুল বন্ধ হতেই বেতন আর টিউশন দুটোই শেষ, থেমে গেল ৩৫ হাজার টাকার সংসার

পঞ্চগড়ের এই ইংরেজি শিক্ষকের স্কুলের বেতন আর প্রাইভেট টিউশন মিলিয়ে করোনার আগে মাসে আসত ৩৫ হাজার টাকা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হতেই দুটি আয়ই একসঙ্গে বন্ধ হয়ে যায়।

মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে একজন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

১২ দিনের ইন্টারনেট বন্ধে গেল ৫ জন ক্রেতা, আয়ের পুরো ভিত্তি

মাত্র তিনজন নিয়মিত ক্রেতা থেকেই আসত মাসে ১,০০০–১,৫০০ ডলার। ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ১২ দিনের ইন্টারনেট বন্ধে পাঁচজন ক্রেতা হারান, নতুন তিনটি যোগাযোগেরও উত্তর দেওয়া যায়নি।

মন্তব্য

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদনে ফাইভারের একজন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার

ডিজিটাল ও বি২বি সেবা

মিশ্র অভিজ্ঞতা

ইন্টারনেট বন্ধে দুটি কাজ বাতিল, ছয় মাসের জন্য নামল অ্যাকাউন্টের মান

ফাইভারের টপ রেটেড সেলার এই ফ্রিল্যান্সার ইন্টারনেট বন্ধের সময় ২০টির বেশি বার্তার উত্তর দিতে পারেননি; দুটি কাজ বাতিল হয়, অ্যাকাউন্ট ছয় মাসের জন্য নামে, ক্ষতি ৪ লাখ টাকা।

মন্তব্য