মূল অংশে যান
  • এই সাইটের তথ্য কপিরাইটভুক্ত — অনুমতি ছাড়া কপি করা নিষেধ
  • আমরা কোনো টাকার লেনদেন করি না
  • টাকা নিয়ে কোনো ব্যবসার প্রচার করি না
  • ভুল পেলে জানান — যাচাই করে ঠিক করি

সফলতা ও ব্যর্থতার গল্প

সত্যিকারের মানুষের অভিজ্ঞতা — তাঁদের অনুমতি নিয়ে, নাম গোপন রেখে প্রকাশ করা।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে ঢাকার একজন পোশাক উদ্যোক্তা

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসাঢাকা

যা কাজ করেছে

৫০ হাজার টাকায় অনলাইনে শুরু, প্রথম চালান শেষ ২৬ দিনে

৫০,০০০ টাকায় ফেসবুকে কুর্তি বিক্রি শুরু; প্রথম চালান ২৬ দিনেই শেষ। প্রায় এক দশক অনলাইনে চলার পর ২০২৫ সালের ১১ মে মিরপুর ১১.৫-এ দোকান খোলা হয়।

পুঁজি
৳৫০ হাজার
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে মৌলভীবাজারের হাওরপারের একজন দোকানি

খুচরা ও পাইকারি ব্যবসামৌলভীবাজার

যা কাজ করেছে

এনজিওর ২০ হাজার টাকায় ঘরের দোকান, মাসে ৫–৬ হাজার আয়

হাওরপারে নিজের ঘরের এক অংশে মুদিদোকান। এনজিওর ২০,০০০ টাকা ঋণ দিয়ে শুরু, চার বছর ধরে চলছে, মাসে আয় ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳২০ হাজার
মন্তব্য

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে শেরপুরের নকলার একজন প্লাস্টিক রিসাইক্লিং কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপশেরপুর

যা কাজ করেছে

দেড় লাখ টাকার যন্ত্রে ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক, মাসে ১০–১৫ টন ফ্লেক

২০০৬ সালে ১,৫০,০০০ টাকার যন্ত্র কিনে শুরু। এখন মাসে ১০–১৫ টন প্লাস্টিক ফ্লেক তৈরি হয়, মালিকের হিসাবে আয় মাসে ১–১.৫ লাখ টাকা, নিয়মিত কর্মী ২০ জন।

পুঁজি
৳১.৫ লাখ
২০০৬ সালে শুরু
মন্তব্য

সমকালের প্রতিবেদনে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার একজন ঠোঙা প্রস্তুতকারক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপফরিদপুর

যা কাজ করেছে

ঘরের কাজের ফাঁকে দিনে ২০ কেজি ঠোঙা, আয় অন্তত ৩০০ টাকা

আলফাডাঙ্গার বাকাইল গ্রামে পুরোনো কাগজ কিনে ঠোঙা বানানো হয়; মজুরি কেজিতে ১০–২০ টাকা। একজন দিনে ২০ কেজি পর্যন্ত বানিয়ে অন্তত ৩০০ টাকা পান, পুঁজি বা দোকান কিছুই লাগে না।

মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে শেরপুর সদরের একজন আসবাব কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপশেরপুর

যা কাজ করেছে

অন্যের কারখানার মিস্ত্রি থেকে মালিক, ব্যবসায় লগ্নি এখন ২৫ লাখ টাকা

শেরপুর সদরের সাত গ্রামে গড়ে ওঠা প্রায় ৩০০ আসবাব কারখানার একটির মালিক আগে অন্যের কারখানায় মিস্ত্রি ছিলেন; এখন ব্যবসায় তাঁর লগ্নি ২৫ লাখ টাকা।

মন্তব্য

ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে নোয়াখালীর চৌমুহনীর একজন জুতা কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনোয়াখালী

যা কাজ করেছে

৩ লাখ টাকার ব্যাংকঋণে কারখানা, এখন মাসে ৩০ লাখ টাকার জুতা

২০ টাকা বেতনের দোকান-কর্মচারী থেকে শুরু; ৩,০০,০০০ টাকার ব্যাংকঋণে নিজের কারখানা। এখন ৪০ জন কর্মী, দিনে ৩০০–৩৫০ জোড়া, মাসে বিক্রি ৩০ লাখ, নিজের আয় ৩ লাখ টাকা।

পুঁজি
৳৩ লাখ
মন্তব্য

বিডিনিউজ২৪ বাংলার প্রতিবেদনে নাটোরের বড়াইগ্রামের একজন খুঁটি কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনাটোর

যা কাজ করেছে

গরু বেচে ৪০ হাজার, বাকিটা ১৮ মাসের শ্রমে — এখন দিনে লাভ ১২–১৫ হাজার

২,৮০,০০০ টাকার খুঁটির কারখানা কেনা হয়েছিল হাতে মাত্র ৪০,০০০ টাকা নিয়ে; বাকি টাকা শোধ হয়েছে চাচার কারখানায় ১৮ মাস শ্রম দিয়ে। এখন দুই কারখানায় দিনে ৬০০–৬৫০ খুঁটি, লাভ ১২,০০০–১৫,০০০ টাকা।

পুঁজি
৳৪০ হাজার
মন্তব্য

ঢাকা টাইমস ২৪-এর প্রতিবেদনে কুড়িগ্রামের একজন ব্লক কারখানার মালিক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপকুড়িগ্রাম

যা কাজ করেছে

ইউটিউব দেখে ব্লকের কারখানা, দিনে ৭–১০ হাজার ব্লক, মাসে ৩–৪ লাখ টাকা

২০২১ সালে কুড়িগ্রাম সদরে গড়া এই ব্লক কারখানায় দিনে তৈরি হয় ৭,০০০–১০,০০০ ব্লক; মালিকের গড় মাসিক আয় ৩–৪ লাখ টাকা। সাধারণ ইটের চেয়ে নির্মাণ খরচ ২৫ শতাংশ কম।

২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে নরসিংদীর একজন হাতে বানানো সাবান প্রস্তুতকারক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপনরসিংদী

যা কাজ করেছে

৬০ হাজার টাকায় শুরু, বছরে ৫০ হাজার সাবান যাচ্ছে জাপানে

২০০৭ সালে ৬০,০০০ টাকা পুঁজি নিয়ে হাতে বানানো সাবানের কাজ শুরু। ২০০৯ সালে জাপান থেকে প্রথম অর্ডার ৫,০০০ ডলারের, প্রায় ৫০,০০০ পিস; এখন বছরে গড়ে ৫০,০০০ সাবান রপ্তানি হয়, কর্মী ১৩ জন।

পুঁজি
৳৬০ হাজার
২০০৭ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দিনাজপুরের একজন দড়ির হস্তশিল্প উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপদিনাজপুর

যা কাজ করেছে

৩ হাজার টাকায় শুরু, এখন মাসে সাড়ে তিন লাখ টাকার বিক্রি

২০২০ সালে ৩,০০০ টাকা নিয়ে ঘরে বসে শুরু। এখন মাসে বিক্রি ৩–৩.৫ লাখ টাকা, খরচ বাদে মুনাফা বিক্রির ১৫–১৭ শতাংশ, আর কাজ করেন ২১–৩০ জন।

পুঁজি
৳৩ হাজার
২০২০ সালে শুরু
মন্তব্য

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার একজন বাঁশের হস্তশিল্প উদ্যোক্তা

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপখাগড়াছড়ি

যা কাজ করেছে

প্রশিক্ষণ আর একটি ফেসবুক পেজ, খরচ বাদে মাসে ২০ হাজার টাকা

২০১৭ সালে স্নাতক শেষ করে চাকরির পেছনে না ছুটে ২০২১ সালে বাঁশের হস্তশিল্পের প্রশিক্ষণ, সে বছরের ডিসেম্বরেই ব্যবসা শুরু। ট্রে ৬০০, ফুলদানি ৪০০ আর জুমঘরের নকশা ১,২০০ টাকায় বিক্রি; খরচ বাদে মাসে আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা।

২০২১ সালে শুরু
মন্তব্য

সমকালের প্রতিবেদনে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ার একজন হোগলাপণ্য উৎপাদক

হালকা উৎপাদন ও ওয়ার্কশপময়মনসিংহ

যা কাজ করেছে

ঢাকার কারখানায় কাজ শিখে গ্রামে ফিরে বছরে কোটি টাকার হোগলাপণ্য

নবম শ্রেণিতে থাকতে ঢাকার এক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠানে কাজ শিখে ২০১৬ সালে গ্রামে ফিরে উৎপাদন শুরু। এখন বছরে প্রায় ১ কোটি টাকার পণ্য তৈরি হয়; বাড়িতে বসে কাজ করা নারীরা মাসে পান ৫,০০০–৬,০০০ টাকা।

২০১৬ সালে শুরু
মন্তব্য